1911 – 1920

প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে (১৯১১ )

ঘোর দুঃখে জাগিনু (১৯১১ )

প্রথম আদি তব শক্তি (১৯১১ )

হে নিখিলভারধারণ বিশ্ববিধাতা (১৯১১ )

ডাকে বার বার ডাকে (১৯১১ )

তিমিরবিভাবরী কাটে কেমনে (১৯১১ )

তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে (১৯১১ )

দূরে কোথায় দূরে দূরে (১৯১১ )

এ পথ গেছে কোন্‌খানে গো (১৯১১ )

আমরা চাষ করি আনন্দে (১৯১১ )

কঠিন লোহা কঠিন ঘুমে ছিল অচেতন (১৯১১ )

সব কাজে হাত লাগাই মোরা (১৯১১ )

ঘরেতে ভ্রমর এল গুন্‌গুনিয়ে (১৯১১ )

এই একলা মোদের হাজার মানুষ (১৯১১ )

যা হবার তা হবে (১৯১১ )

আমি কারে ডাকি গো (১৯১১ )

বুঝি এল বুঝি এল ওরে প্রাণ (১৯১১ )

আজ যেমন করে গাইছে আকাশ (১৯১১ )

হা রে রে রে রে রে (১৯১১ )

ওরে ওরে ওরে, আমার মন মেতেছে (১৯১১ )

এই মৌমাছিদের ঘরছাড়া কে করেছে রে (১৯১১ )

ও অকূলের কূল (১৯১১ )

আমরা তারেই জানি তারেই জানি (১৯১১ )

সকল জনম ভ’রে ও মোর দরদিয়া (১৯১১ )

উতল ধারায় + (১৯১১ )

উতল ধারা বাদল + (১৯১১ )

আলো আমার, আলো ওগো (১৯১১ )

যিনি সকল কাজের কাজী (১৯১১ )

আমি যে সব নিতে চাই, সব নিতে ধাই রে (১৯১১ )

আর নহে, আর নয় (১৯১১ )

বাজে রে বাজে রে ওই (১৯১১ )

কবে তুমি আসবে ব⤘লে (১৯১১ )

মম অন্তর উদাসে (১৯১১ )

ওগো শেফালিবনের মনের (১৯১১ )

প্রথম ফুলের পাব প্রসাদ+ (১৯১১ )

আজ প্রথম ফুলের পাব + (১৯১১ )

আমাদের শান্তিনিকেতন (১৯১১ )

বাজে রে বাজে ডমরু বাজে (১৯১১ )

জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে (১৯১১ )

আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ (১৯১২ )

কোলাহল তো বারণ হল (১৯১২ )

এবার ভাসিয়ে দিতে হবে (১৯১২ )

যে দিন ফুটল কমল (১৯১২ )

এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে (১৯১২ )

ঝড়ে যায় উড়ে যায় গো (১৯১২ )

তুমি একটু কেবল (১৯১২ )

তোরা আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )

এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )

আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )

কে গো অন্তরতর সে (১৯১২ )

আমারে তুমি অশেষ করেছ (১৯১২ )

হার-মানা হার (১৯১২ )

এমনি ক’রে ঘুরিব দূরে বাহিরে (১৯১২ )

পেয়েছি ছুটি, বিদায় (১৯১২ )

আজিকে এই সকালবেলাতে (১৯১২ )

প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে (১৯১২ )

সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি (১৯১২ )

তোমারি নাম বলব নানা ছলে (১৯১৩ )

অসীম ধন তো আছে তোমার (১৯১৩ )

এ মণিহার আমায় নাহি সাজে (১৯১৩ )

ভোরের বেলা কখন এসে (১৯১৩ )

প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে (১৯১৩ )

জীবন যখন ছিল ফুলের মতো (১৯১৩ )

বাজাও আমারে বাজাও (১৯১৩ )

জানি গো, দিন যাবে (১৯১৩ )

নয় এ মধুর খেলা (১৯১৩ )

যদি প্রেম দিলে না প্রাণে (১৯১৩ )

নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে (১৯১৩ )

আমার যে আসে কাছে, যে যায় চলে দূরে (১৯১৩ )

আমার মুখের কথা তোমার (১৯১৩ )

কেবল থাকিস সরে সরে + (১৯১৩ )

তুই কেবল থাকিস সরে সরে + (১৯১৩ )

লুকিয়ে আস আঁধার রাতে (১৯১৩ )

আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে (১৯১৩ )

আমার সকল কাঁটা ধন্য করে (১৯১৩ )

গাব তোমার সুরে (১৯১৩ )

প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে (১৯১৩ )

তোমায় আমায় মিলন হবে ব’লে (১৯১৩ )

এ হরিসুন্দর (১৯১৩ )

না গো, এই-যে ধুলা আমার না এ (১৯১৩ )

বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হল উতলা (১৯১৪ )

সভায় তোমার থাকি সবার শাসনে (১৯১৪ )

যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা (১৯১৪ )

বেসুর বাজে রে (১৯১৪ )

তুমি জানো, ওগো অন্তর্যামী (১৯১৪ )

রাজপুরীতে বাজায় বাঁশি (১৯১৪ )

আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায় (১৯১৪ )

আমার ব্যথা যখন আনে আমায় (১৯১৪ )

কার হাতে এই মালা তোমার (১৯১৪ )

তুমি এত আলো জ্বালিয়েছ + (১৯১৪ )

এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে + (১৯১৪ )

যে রাতে মোর দুয়ারগুলি (১৯১৪ )

শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে (১৯১৪ )

তোমার কাছে শান্তি চাব না (১৯১৪ )

দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার (১৯১৪ )

আমায় ভুলতে দিতে নাইকো তোমার ভয় (১৯১৪ )

জানি নাই গো সাধন তোমার (১৯১৪ )

ওদের কথায় ধাঁদা লাগে (১৯১৪ )

এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কূলে (১৯১৪ )

জীবন আমার চলছে যেমন (১৯১৪ )

হাওয়া লাগে গানের পালে (১৯১৪ )

আমারে দিই তোমার হাতে (১৯১৪ )

আরো চাই যে, আরো চাই গো (১৯১৪ )

আমার বাণী আমার প্রাণে লাগে (১৯১৪ )

তুমি যে চেয়ে আছ আকাশ ভ’রে (১৯১৪ )

তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি (১৯১৪ )

হে অন্তরের ধন (১৯১৪ )

তুমি যে এসেছ মোর ভবনে (১৯১৪ )

আপনাকে এই জানা আমার (১৯১৪ )

বল তো এইবারের মতো (১৯১৪ )

আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে (১৯১৪ )

ওদের সাথে মেলাও যারা (১৯১৪ )

সকাল-সাঁজে ধায় যে ওরা (১৯১৪ )

তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে (১৯১৪ )

আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে (১৯১৪ )

কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না (১৯১৪ )

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে + (১৯১৪ )

হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে + (১৯১৪ )

প্রাণে গান নাই, মিছে তাই (১৯১৪ )

কেন তোমরা আমায় ডাকো (১৯১৪ )

সে দিনে আপদ আমার যাবে কেটে (১৯১৪ )

মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের (১৯১৪ )

তোমার আনন্দ ওই (১৯১৪ )

তোমার আনন্দ ওই (১৯১৪ )

তার অন্ত নাই গো যে আনন্দে (১৯১৪ )

আমার যে সব দিতে হবে (১৯১৪ )

এই লভিনু সঙ্গ তব (১৯১৪ )

চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে (১৯১৪ )

দুজনে এক হয়ে যাও (১৯১৪ )

এরে ভিখারি সাজায়ে কী রঙ্গ তুমি করিলে (১৯১৪ )

সন্ধ্যা হল গো– ও মা (১৯১৪ )

আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায় (১৯১৪ )

এই তো তোমার আলোকধেনু (১৯১৪ )

মোর সন্ধ্যায় তুমি সুন্দর বেশে এসেছ (১৯১৪ )

তোমার রঙিন পাতায় লিখব প্রাণের (১৯১৪ )

দুঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল (১৯১৪ )

বাধা দিলে বাধবে লড়াই (১৯১৪ )

আমি হৃদয়েতে পথ কেটেছি (১৯১৪ )

ওই ) আলো যে যায় রে দেখা + (১৯১৪ )

আলো যে যায় রে দেখা + (১৯১৪ )

ও নিঠুর, আরো কি বাণ তোমার তূণে আছে (১৯১৪ )

সুখে আমায় রাখবে কেন (১৯১৪ )

ওগো আমার প্রাণের ঠাকুর (১৯১৪ )

আঘাত করে নিলে জিনে (১৯১৪ )

আমি যে আর সইতে পারি নে (১৯১৪ )

পথ চেয়ে যে কেটে গেল (১৯১৪ )

শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে + (১৯১৪ )

আবার শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে + (১৯১৪ )

আমার সকল রসের ধারা (১৯১৪ )

শরত-আলোর কমলবনে + (১৯১৪ )

এই শরৎ-আলোর কমলবনে + (১৯১৪ )

তোমার মোহন রূপে কে রয় ভুলে (১৯১৪ )

যখন তুমি বাঁধছিলে তার (১৯১৪ )

আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে (১৯১৪ )

হৃদয় আমার প্রকাশ হল (১৯১৪ )

এক হাতে ওর কৃপাণ আছে (১৯১৪ )

পথ দিয়ে কে যায় গো চলে (১৯১৪ )

এই-যে কালো মাটির বাসা (১৯১৪ )

যে থাকে থাক্‌-না দ্বারে (১৯১৪ )

তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে (১৯১৪ )

শুধু তোমার বাণী নয় গো (১৯১৪ )

শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি (১৯১৪ )

ওরে মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )

ও আমার মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )

আমার মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )

মোর মরণে তোমার হবে জয় (১৯১৪ )

এবার আমায় ডাকলে দূরে (১৯১৪ )

নাই বা ডাকো রইব তোমার দ্বারে (১৯১৪ )

না বাঁচাবে আমায় যদি (১৯১৪ )

যেতে যেতে একলা পথে (১৯১৪ )

মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল (১৯১৪ )

যেতে যেতে চায় না যেতে (১৯১৪ )

সেই তো আমি চাই (১৯১৪ )

শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে (১৯১৪ )

প্রাণ চায় চক্ষু না চায় (১৯১৪ )

দুঃখ যদি না পাবে তো (১৯১৪ )

না রে, না রে, হবে না তোর স্বর্গসাধন (১৯১৪ )

তোমার এই মাধুরী ছাপিয়ে আকাশ (১৯১৪ )

দুঃখ যে তোর নয় রে চিরন্তন (১৯১৪ )

এই কথাটা ধরে রাখিস (১৯১৪ )

লক্ষ্মী যখন আসবে তখন (১৯১৪ )

ওই অমল হাতে রজনী প্রাতে (১৯১৪ )

মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে (১৯১৪ )

সহজ হবি, সহজ হবি (১৯১৪ )

ওরে ভীরু, তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার (১৯১৪ )

অগ্নিবীণা বাজাও তুমি কেমন ক’রে (১৯১৪ )

আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো (১৯১৪ )

তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি (১৯১৪ )

ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু (১৯১৪ )

আমার আর হবে না দেরি (১৯১৪ )

দুঃখ এ নয়, সুখ নহে গো (১৯১৪ )

মেঘ বলেছে ‘যাব যাব’ (১৯১৪ )

তোমার কাছে এ বর মাগি (১৯১৪ )

আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া (১৯১৪ )

এ আবরণ ক্ষয় হবে গো + (১৯১৪ )

এই আবরণ ক্ষয় হবে গো + (১৯১৪ )

পুষ্প দিয়ে মার’ যারে (১৯১৪ )

কূল থেকে মোর গানের তরী (১৯১৪ )

বিশ্ব জোড়া ফাঁদ পেতেছ (১৯১৪ )

সারা জীবন দিল আলো (১৯১৪ )

আবার যদি ইচ্ছা কর (১৯১৪ )

অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে (১৯১৪ )

এ দিন আজি কোন্‌ ঘরে গো খুলে দিল দ্বার (১৯১৪ )

পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে (১৯১৪ )

সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি (১৯১৪ )

ওগো, পথের সাথি নমি বারম্বার + (১৯১৪ )

পথের সাথি, নমি বারম্বার + (১৯১৪ )

অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো (১৯১৪ )

ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময় (১৯১৪ )

যখন তোমায় আঘাত করি (১৯১৪ )

তুমি কি কেবলই ছবি (১৯১৪ )

বেদনায় ভরে গিয়েছে পেয়ালা (১৯১৪ )

আনন্দগান উঠুক তবে বাজি (১৯১৫ )

পথে যেতে তোমার সাথে (১৯১৫ )

মন, জাগ’ মঙ্গললোকে (১৯১৫ )

পোহালো পোহালো বিভাবরী (১৯১৫ )

ওগো দখিন হাওয়া (১৯১৫ )

ছাড়্‌ গো তোরা ছাড়্‌ গো (১৯১৫ )

আকাশ আমায় ভরল আলোয় (১৯১৫ )

আমরা খুঁজি খেলার সাথি (১৯১৫ )

আমরা নূতন প্রাণের চর (১৯১৫ )

ওর ভাব দেখে যে পায় হাসি (১৯১৫ )

বিদায় নিয়ে গিয়েছিলেম বারে বারে (১৯১৫ )

এবার তো যৌবনের কাছে (১৯১৫ )

এই কথাটাই ছিলেম ভুলে (১৯১৫ )

ওরে আয় রে তবে + (১৯১৫ )

আয় রে তবে, মাত্‌ রে সবে + (১৯১৫ )

আর নাই-যে দেরি, নাই-যে দেরি (১৯১৫ )

এত দিন যে বসে ছিলেম পথ চেয়ে (১৯১৫ )

তোমায় নতুন করে পাব বলে (১৯১৫ )

চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে (১৯১৫ )

ওগো নদী, আপন বেগে (১৯১৫ )

চলি গো, চলি গো, যাই গো চলে (১৯১৫ )

ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে (১৯১৫ )

মোদের যেমন খেলা তেমনি যে কাজ (১৯১৫ )

আমাদের পাকবে না চুল গো (১৯১৫ )

আমাদের ভয় কাহারে (১৯১৫ )

আমাদের খেপিয়ে বেড়ায় যে (১৯১৫ )

ভালোমানুষ নই রে মোরা (১৯১৫ )

মোরা চলব না (১৯১৫ )

ধীরে বন্ধু, গো, ধীরে ধীরে (১৯১৫ )

তুই ফেলে এসেছিস কারে (১৯১৫ )

আমি যাব না গো অমনি চ’লে (১৯১৫ )

সবাই যারে সব দিতেছে (১৯১৫ )

বসন্তে ফুল গাঁথল আমার (১৯১৫ )

হবে জয়, হবে জয়, হবে জয় রে (১৯১৫ )

আমার একটি কথা বাঁশি জানে (১৯১৫ )

তোমার নয়ন আমায় বারে বারে (১৯১৫ )

কোন্‌ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল (১৯১৫ )

আমার নিশীথরাতের বাদলধারা (১৯১৫ )

কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে (১৯১৫ )

তরুণ প্রাতের অরুণ আকাশ (১৯১৫ )

আজ আলোকের এই ঝর্নাধারায় + (১৯১৫ )

আলোকের এই ঝর্নাধারায় + (১৯১৫ )

আমার নিকড়িয়া রসের রসিক (১৯১৫ )

যখন দেখা দাও নি রাধা (১৯১৫ )

বঁধুর লাগি কেশে আমি পরব এমন ফুল (১৯১৫ )

মধুঋতু নিত্য হয়ে রইল তোমা (১৯১৬ )

নিশি দিন মোর পরানে (১৯১৬ )

রহি রহি আনন্দতরঙ্গ জাগে (১৯১৬ )

তুমি কোন্‌ পথে যে এলে পথিক (১৯১৬ )

আমি পথভোলা এক পথিক এসেছি (১৯১৬ )

যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন (১৯১৬ )

এই তো ভালো লেগেছিল (১৯১৬ )

তরীতে পা দিই নি আমি (১৯১৬ )

তোমার হল শুরু, আমার হল সারা (১৯১৬ )

আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি (১৯১৬ )

ওই সাগরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে বাজল ভেরী + (১৯১৬ )

ওই ঝঞ্ঝার ঝঙ্কারে + (১৯১৬ )

গানের সুরের আসনখানি (১৯১৬ )

নাহয় তোমার যা হয়েছে তাই হল (১৯১৬ )

ওরে আমার হৃদয় আমার (১৯১৬ )

এমনি ক’রেই যায় যদি দিন যাক-না (১৯১৬ )

ভুবনজোড়া আসনখানি + (১৯১৬ )

তোমার ভুবনজোড়া + (১৯১৬ )

বলো বলো, বন্ধু, বলো (১৯১৬ )

দেশ দেশ নন্দিত করি (১৯১৭ )

ব্যাকুল বকুলের ফুলে (১৯১৭ )

কাঁপিছে দেহলতা থরথর (১৯১৭ )

দুয়ার মোর পথপাশে (১৯১৭ )

যে কাঁদনে হিয়া কাঁদিছে (১৯১৭ )

একদা তুমি, প্রিয়ে (১৯১৭ )

মাতৃমন্দির-পুণ্য অঙ্গন (১৯১৭ )

আমি যখন তাঁর দুয়ারে (১৯১৮ )

ভেঙে মোর ঘরের চাবি (১৯১৮ )

ও দেখা দিয়ে যে চলে গেল (১৯১৮ )

আজি বিজন ঘরে নিশীথরাতে (১৯১৮ )

ওহে সুন্দর, মরি মরি (১৯১৮ )

কান্নাহাসির-দোল-দোলানো পৌষ-ফাগুনের (১৯১৮ )

সে কোন্‌ বনের হরিণ ছিল আমার মনে (১৯১৮ )

অশ্রুনদীর সুদূর পারে (১৯১৮ )

সবার সাথে চলতেছিল (১৯১৮ )

জাগরণে যায় বিভাবরী (১৯১৮ )

আকাশ হতে আকাশপথে (১৯১৮ )

কোন্‌ সুদূর হতে আমার মনোমাঝে (১৯১৮ )

আয় আয় রে পাগল (১৯১৮ )

অনেক পাওয়ার মাঝে মাঝে (১৯১৮ )

আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে (১৯১৮ )

তুমি একলা ঘরে ব’সে ব’সে (১৯১৮ )

আমার পাত্রখানা যায় যদি যাক + (১৯১৮ )

পাত্রখানা যায় যদি + (১৯১৮ )

ছিল যে পরানের অন্ধকারে (১৯১৮ )

অকারণে অকালে মোর (১৯১৮ )

আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে (১৯১৮ )

দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না (১৯১৮ )

সে যে বাহির হল আমি জানি (১৯১৮ )

তোমায় কিছু দেব ব’লে (১৯১৮ )

আমি আছি তোমার সভার দুয়ারদেশে (১৯১৮ )

আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলেম গান (১৯১৮ )

তোমারি ঝরনাতলার নির্জনে (১৯১৮ )

ফাগুন-হাওয়ায় রঙে রঙে (১৯১৮ )

সুর ভুলে যেই ঘুরে বেড়াই (১৯১৮ )

গানের ভিতর দিয়ে যখন (১৯১৮ )

তোমার দ্বারে কেন আসি ভুলেই যে যাই (১৯১৮ )

যে আমি ঐ ভেসে চলে (১৯১৮ )

যারা কথা দিয়ে তোমার কথা বলে (১৯১৮ )

জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে (১৯১৯ )

নমি নমি চরণে (১৯১৯ )

পথিক হে, ওই-যে চলে (১৯১৯ )

মাটির প্রদীপখানি আছে (১৯১৯ )

পাখি আমার নীড়ের পাখি (১৯১৯ )

আমি তারেই খুঁজে বেড়াই (১৯১৯ )

এই বুঝি মোর ভোরের তারা (১৯১৯ )

ওই বুঝি কালবৈশাখী (১৯১৯ )

আমার জীর্ণ পাতা যাবার বেলায় (১৯১৯ )

মোর বীণা ওঠে (১৯১৯ )

আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে (১৯১৯ )

আমি জ্বালব না মোর বাতায়নে (১৯১৯ )

আজ সবার রঙে রঙ মিশাতে হবে (১৯১৯ )

সময় আমার নাই যে + (১৯১৯ )

নাই নাই নাই যে বাকি + (১৯১৯ )

আমার দিন ফুরালো ব্যাকুল বাদলসাঁঝে (১৯১৯ )

এবার রঙিয়ে গেল হৃদয়গগন (১৯১৯ )

চোখ যে ওদের ছুটে চলে গো (১৯২০ )

বসন্ত, তোর শেষ ক’রে দে রঙ্গ (১৯২০ )

আকাশ হতে খসল তারা (১৯২০ )

আগুনে হল আগুনময় (১৯২০ )

অরূপবীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে (১৯২০ )

বাহিরে ভুল হানবে যখন (১৯২০ )

এখনো গেল না আঁধার (১৯২০ )

মাধবী হঠাৎ কোথা হতে (১৯২০ )