প্রাণের প্রাণ জাগিছে তোমারি প্রাণে (১৯১১ )
ঘোর দুঃখে জাগিনু (১৯১১ )
প্রথম আদি তব শক্তি (১৯১১ )
হে নিখিলভারধারণ বিশ্ববিধাতা (১৯১১ )
ডাকে বার বার ডাকে (১৯১১ )
তিমিরবিভাবরী কাটে কেমনে (১৯১১ )
তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে (১৯১১ )
দূরে কোথায় দূরে দূরে (১৯১১ )
এ পথ গেছে কোন্খানে গো (১৯১১ )
আমরা চাষ করি আনন্দে (১৯১১ )
কঠিন লোহা কঠিন ঘুমে ছিল অচেতন (১৯১১ )
সব কাজে হাত লাগাই মোরা (১৯১১ )
ঘরেতে ভ্রমর এল গুন্গুনিয়ে (১৯১১ )
এই একলা মোদের হাজার মানুষ (১৯১১ )
যা হবার তা হবে (১৯১১ )
আমি কারে ডাকি গো (১৯১১ )
বুঝি এল বুঝি এল ওরে প্রাণ (১৯১১ )
আজ যেমন করে গাইছে আকাশ (১৯১১ )
হা রে রে রে রে রে (১৯১১ )
ওরে ওরে ওরে, আমার মন মেতেছে (১৯১১ )
এই মৌমাছিদের ঘরছাড়া কে করেছে রে (১৯১১ )
ও অকূলের কূল (১৯১১ )
আমরা তারেই জানি তারেই জানি (১৯১১ )
সকল জনম ভ’রে ও মোর দরদিয়া (১৯১১ )
উতল ধারায় + (১৯১১ )
উতল ধারা বাদল + (১৯১১ )
আলো আমার, আলো ওগো (১৯১১ )
যিনি সকল কাজের কাজী (১৯১১ )
আমি যে সব নিতে চাই, সব নিতে ধাই রে (১৯১১ )
আর নহে, আর নয় (১৯১১ )
বাজে রে বাজে রে ওই (১৯১১ )
কবে তুমি আসবে ব⤘লে (১৯১১ )
মম অন্তর উদাসে (১৯১১ )
ওগো শেফালিবনের মনের (১৯১১ )
প্রথম ফুলের পাব প্রসাদ+ (১৯১১ )
আজ প্রথম ফুলের পাব + (১৯১১ )
আমাদের শান্তিনিকেতন (১৯১১ )
বাজে রে বাজে ডমরু বাজে (১৯১১ )
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে (১৯১১ )
আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ (১৯১২ )
কোলাহল তো বারণ হল (১৯১২ )
এবার ভাসিয়ে দিতে হবে (১৯১২ )
যে দিন ফুটল কমল (১৯১২ )
এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে (১৯১২ )
ঝড়ে যায় উড়ে যায় গো (১৯১২ )
তুমি একটু কেবল (১৯১২ )
তোরা আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )
আমার যাবার বেলাতে + (১৯১২ )
কে গো অন্তরতর সে (১৯১২ )
আমারে তুমি অশেষ করেছ (১৯১২ )
হার-মানা হার (১৯১২ )
এমনি ক’রে ঘুরিব দূরে বাহিরে (১৯১২ )
পেয়েছি ছুটি, বিদায় (১৯১২ )
আজিকে এই সকালবেলাতে (১৯১২ )
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে (১৯১২ )
সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি (১৯১২ )
তোমারি নাম বলব নানা ছলে (১৯১৩ )
অসীম ধন তো আছে তোমার (১৯১৩ )
এ মণিহার আমায় নাহি সাজে (১৯১৩ )
ভোরের বেলা কখন এসে (১৯১৩ )
প্রাণে খুশির তুফান উঠেছে (১৯১৩ )
জীবন যখন ছিল ফুলের মতো (১৯১৩ )
বাজাও আমারে বাজাও (১৯১৩ )
জানি গো, দিন যাবে (১৯১৩ )
নয় এ মধুর খেলা (১৯১৩ )
যদি প্রেম দিলে না প্রাণে (১৯১৩ )
নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে (১৯১৩ )
আমার যে আসে কাছে, যে যায় চলে দূরে (১৯১৩ )
আমার মুখের কথা তোমার (১৯১৩ )
কেবল থাকিস সরে সরে + (১৯১৩ )
তুই কেবল থাকিস সরে সরে + (১৯১৩ )
লুকিয়ে আস আঁধার রাতে (১৯১৩ )
আমার কণ্ঠ তাঁরে ডাকে (১৯১৩ )
আমার সকল কাঁটা ধন্য করে (১৯১৩ )
গাব তোমার সুরে (১৯১৩ )
প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে (১৯১৩ )
তোমায় আমায় মিলন হবে ব’লে (১৯১৩ )
এ হরিসুন্দর (১৯১৩ )
না গো, এই-যে ধুলা আমার না এ (১৯১৩ )
বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হল উতলা (১৯১৪ )
সভায় তোমার থাকি সবার শাসনে (১৯১৪ )
যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা (১৯১৪ )
বেসুর বাজে রে (১৯১৪ )
তুমি জানো, ওগো অন্তর্যামী (১৯১৪ )
রাজপুরীতে বাজায় বাঁশি (১৯১৪ )
আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায় (১৯১৪ )
আমার ব্যথা যখন আনে আমায় (১৯১৪ )
কার হাতে এই মালা তোমার (১৯১৪ )
তুমি এত আলো জ্বালিয়েছ + (১৯১৪ )
এত আলো জ্বালিয়েছ এই গগনে + (১৯১৪ )
যে রাতে মোর দুয়ারগুলি (১৯১৪ )
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে (১৯১৪ )
তোমার কাছে শান্তি চাব না (১৯১৪ )
দাঁড়িয়ে আছ তুমি আমার (১৯১৪ )
আমায় ভুলতে দিতে নাইকো তোমার ভয় (১৯১৪ )
জানি নাই গো সাধন তোমার (১৯১৪ )
ওদের কথায় ধাঁদা লাগে (১৯১৪ )
এই আসা-যাওয়ার খেয়ার কূলে (১৯১৪ )
জীবন আমার চলছে যেমন (১৯১৪ )
হাওয়া লাগে গানের পালে (১৯১৪ )
আমারে দিই তোমার হাতে (১৯১৪ )
আরো চাই যে, আরো চাই গো (১৯১৪ )
আমার বাণী আমার প্রাণে লাগে (১৯১৪ )
তুমি যে চেয়ে আছ আকাশ ভ’রে (১৯১৪ )
তোমার পূজার ছলে তোমায় ভুলেই থাকি (১৯১৪ )
হে অন্তরের ধন (১৯১৪ )
তুমি যে এসেছ মোর ভবনে (১৯১৪ )
আপনাকে এই জানা আমার (১৯১৪ )
বল তো এইবারের মতো (১৯১৪ )
আজ জ্যোৎস্নারাতে সবাই গেছে (১৯১৪ )
ওদের সাথে মেলাও যারা (১৯১৪ )
সকাল-সাঁজে ধায় যে ওরা (১৯১৪ )
তুমি যে সুরের আগুন লাগিয়ে দিলে (১৯১৪ )
আমায় বাঁধবে যদি কাজের ডোরে (১৯১৪ )
কেন চোখের জলে ভিজিয়ে দিলেম না (১৯১৪ )
আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে + (১৯১৪ )
হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে + (১৯১৪ )
প্রাণে গান নাই, মিছে তাই (১৯১৪ )
কেন তোমরা আমায় ডাকো (১৯১৪ )
সে দিনে আপদ আমার যাবে কেটে (১৯১৪ )
মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের (১৯১৪ )
তোমার আনন্দ ওই (১৯১৪ )
তোমার আনন্দ ওই (১৯১৪ )
তার অন্ত নাই গো যে আনন্দে (১৯১৪ )
আমার যে সব দিতে হবে (১৯১৪ )
এই লভিনু সঙ্গ তব (১৯১৪ )
চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে (১৯১৪ )
দুজনে এক হয়ে যাও (১৯১৪ )
এরে ভিখারি সাজায়ে কী রঙ্গ তুমি করিলে (১৯১৪ )
সন্ধ্যা হল গো– ও মা (১৯১৪ )
আকাশে দুই হাতে প্রেম বিলায় (১৯১৪ )
এই তো তোমার আলোকধেনু (১৯১৪ )
মোর সন্ধ্যায় তুমি সুন্দর বেশে এসেছ (১৯১৪ )
তোমার রঙিন পাতায় লিখব প্রাণের (১৯১৪ )
দুঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল (১৯১৪ )
বাধা দিলে বাধবে লড়াই (১৯১৪ )
আমি হৃদয়েতে পথ কেটেছি (১৯১৪ )
ওই ) আলো যে যায় রে দেখা + (১৯১৪ )
আলো যে যায় রে দেখা + (১৯১৪ )
ও নিঠুর, আরো কি বাণ তোমার তূণে আছে (১৯১৪ )
সুখে আমায় রাখবে কেন (১৯১৪ )
ওগো আমার প্রাণের ঠাকুর (১৯১৪ )
আঘাত করে নিলে জিনে (১৯১৪ )
আমি যে আর সইতে পারি নে (১৯১৪ )
পথ চেয়ে যে কেটে গেল (১৯১৪ )
শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে + (১৯১৪ )
আবার শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে + (১৯১৪ )
আমার সকল রসের ধারা (১৯১৪ )
শরত-আলোর কমলবনে + (১৯১৪ )
এই শরৎ-আলোর কমলবনে + (১৯১৪ )
তোমার মোহন রূপে কে রয় ভুলে (১৯১৪ )
যখন তুমি বাঁধছিলে তার (১৯১৪ )
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে (১৯১৪ )
হৃদয় আমার প্রকাশ হল (১৯১৪ )
এক হাতে ওর কৃপাণ আছে (১৯১৪ )
পথ দিয়ে কে যায় গো চলে (১৯১৪ )
এই-যে কালো মাটির বাসা (১৯১৪ )
যে থাকে থাক্-না দ্বারে (১৯১৪ )
তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে (১৯১৪ )
শুধু তোমার বাণী নয় গো (১৯১৪ )
শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি (১৯১৪ )
ওরে মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )
ও আমার মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )
আমার মন, যখন জাগলি না রে + (১৯১৪ )
মোর মরণে তোমার হবে জয় (১৯১৪ )
এবার আমায় ডাকলে দূরে (১৯১৪ )
নাই বা ডাকো রইব তোমার দ্বারে (১৯১৪ )
না বাঁচাবে আমায় যদি (১৯১৪ )
যেতে যেতে একলা পথে (১৯১৪ )
মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল (১৯১৪ )
যেতে যেতে চায় না যেতে (১৯১৪ )
সেই তো আমি চাই (১৯১৪ )
শেষ নাহি যে, শেষ কথা কে (১৯১৪ )
প্রাণ চায় চক্ষু না চায় (১৯১৪ )
দুঃখ যদি না পাবে তো (১৯১৪ )
না রে, না রে, হবে না তোর স্বর্গসাধন (১৯১৪ )
তোমার এই মাধুরী ছাপিয়ে আকাশ (১৯১৪ )
দুঃখ যে তোর নয় রে চিরন্তন (১৯১৪ )
এই কথাটা ধরে রাখিস (১৯১৪ )
লক্ষ্মী যখন আসবে তখন (১৯১৪ )
ওই অমল হাতে রজনী প্রাতে (১৯১৪ )
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে (১৯১৪ )
সহজ হবি, সহজ হবি (১৯১৪ )
ওরে ভীরু, তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার (১৯১৪ )
অগ্নিবীণা বাজাও তুমি কেমন ক’রে (১৯১৪ )
আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো (১৯১৪ )
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি (১৯১৪ )
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু (১৯১৪ )
আমার আর হবে না দেরি (১৯১৪ )
দুঃখ এ নয়, সুখ নহে গো (১৯১৪ )
মেঘ বলেছে ‘যাব যাব’ (১৯১৪ )
তোমার কাছে এ বর মাগি (১৯১৪ )
আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া (১৯১৪ )
এ আবরণ ক্ষয় হবে গো + (১৯১৪ )
এই আবরণ ক্ষয় হবে গো + (১৯১৪ )
পুষ্প দিয়ে মার’ যারে (১৯১৪ )
কূল থেকে মোর গানের তরী (১৯১৪ )
বিশ্ব জোড়া ফাঁদ পেতেছ (১৯১৪ )
সারা জীবন দিল আলো (১৯১৪ )
আবার যদি ইচ্ছা কর (১৯১৪ )
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে (১৯১৪ )
এ দিন আজি কোন্ ঘরে গো খুলে দিল দ্বার (১৯১৪ )
পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে (১৯১৪ )
সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি (১৯১৪ )
ওগো, পথের সাথি নমি বারম্বার + (১৯১৪ )
পথের সাথি, নমি বারম্বার + (১৯১৪ )
অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো (১৯১৪ )
ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময় (১৯১৪ )
যখন তোমায় আঘাত করি (১৯১৪ )
তুমি কি কেবলই ছবি (১৯১৪ )
বেদনায় ভরে গিয়েছে পেয়ালা (১৯১৪ )
আনন্দগান উঠুক তবে বাজি (১৯১৫ )
পথে যেতে তোমার সাথে (১৯১৫ )
মন, জাগ’ মঙ্গললোকে (১৯১৫ )
পোহালো পোহালো বিভাবরী (১৯১৫ )
ওগো দখিন হাওয়া (১৯১৫ )
ছাড়্ গো তোরা ছাড়্ গো (১৯১৫ )
আকাশ আমায় ভরল আলোয় (১৯১৫ )
আমরা খুঁজি খেলার সাথি (১৯১৫ )
আমরা নূতন প্রাণের চর (১৯১৫ )
ওর ভাব দেখে যে পায় হাসি (১৯১৫ )
বিদায় নিয়ে গিয়েছিলেম বারে বারে (১৯১৫ )
এবার তো যৌবনের কাছে (১৯১৫ )
এই কথাটাই ছিলেম ভুলে (১৯১৫ )
ওরে আয় রে তবে + (১৯১৫ )
আয় রে তবে, মাত্ রে সবে + (১৯১৫ )
আর নাই-যে দেরি, নাই-যে দেরি (১৯১৫ )
এত দিন যে বসে ছিলেম পথ চেয়ে (১৯১৫ )
তোমায় নতুন করে পাব বলে (১৯১৫ )
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে (১৯১৫ )
ওগো নদী, আপন বেগে (১৯১৫ )
চলি গো, চলি গো, যাই গো চলে (১৯১৫ )
ওরে ভাই, ফাগুন লেগেছে বনে বনে (১৯১৫ )
মোদের যেমন খেলা তেমনি যে কাজ (১৯১৫ )
আমাদের পাকবে না চুল গো (১৯১৫ )
আমাদের ভয় কাহারে (১৯১৫ )
আমাদের খেপিয়ে বেড়ায় যে (১৯১৫ )
ভালোমানুষ নই রে মোরা (১৯১৫ )
মোরা চলব না (১৯১৫ )
ধীরে বন্ধু, গো, ধীরে ধীরে (১৯১৫ )
তুই ফেলে এসেছিস কারে (১৯১৫ )
আমি যাব না গো অমনি চ’লে (১৯১৫ )
সবাই যারে সব দিতেছে (১৯১৫ )
বসন্তে ফুল গাঁথল আমার (১৯১৫ )
হবে জয়, হবে জয়, হবে জয় রে (১৯১৫ )
আমার একটি কথা বাঁশি জানে (১৯১৫ )
তোমার নয়ন আমায় বারে বারে (১৯১৫ )
কোন্ খেপা শ্রাবণ ছুটে এল (১৯১৫ )
আমার নিশীথরাতের বাদলধারা (১৯১৫ )
কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে (১৯১৫ )
তরুণ প্রাতের অরুণ আকাশ (১৯১৫ )
আজ আলোকের এই ঝর্নাধারায় + (১৯১৫ )
আলোকের এই ঝর্নাধারায় + (১৯১৫ )
আমার নিকড়িয়া রসের রসিক (১৯১৫ )
যখন দেখা দাও নি রাধা (১৯১৫ )
বঁধুর লাগি কেশে আমি পরব এমন ফুল (১৯১৫ )
মধুঋতু নিত্য হয়ে রইল তোমা (১৯১৬ )
নিশি দিন মোর পরানে (১৯১৬ )
রহি রহি আনন্দতরঙ্গ জাগে (১৯১৬ )
তুমি কোন্ পথে যে এলে পথিক (১৯১৬ )
আমি পথভোলা এক পথিক এসেছি (১৯১৬ )
যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন (১৯১৬ )
এই তো ভালো লেগেছিল (১৯১৬ )
তরীতে পা দিই নি আমি (১৯১৬ )
তোমার হল শুরু, আমার হল সারা (১৯১৬ )
আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি (১৯১৬ )
ওই সাগরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে বাজল ভেরী + (১৯১৬ )
ওই ঝঞ্ঝার ঝঙ্কারে + (১৯১৬ )
গানের সুরের আসনখানি (১৯১৬ )
নাহয় তোমার যা হয়েছে তাই হল (১৯১৬ )
ওরে আমার হৃদয় আমার (১৯১৬ )
এমনি ক’রেই যায় যদি দিন যাক-না (১৯১৬ )
ভুবনজোড়া আসনখানি + (১৯১৬ )
তোমার ভুবনজোড়া + (১৯১৬ )
বলো বলো, বন্ধু, বলো (১৯১৬ )
দেশ দেশ নন্দিত করি (১৯১৭ )
ব্যাকুল বকুলের ফুলে (১৯১৭ )
কাঁপিছে দেহলতা থরথর (১৯১৭ )
দুয়ার মোর পথপাশে (১৯১৭ )
যে কাঁদনে হিয়া কাঁদিছে (১৯১৭ )
একদা তুমি, প্রিয়ে (১৯১৭ )
মাতৃমন্দির-পুণ্য অঙ্গন (১৯১৭ )
আমি যখন তাঁর দুয়ারে (১৯১৮ )
ভেঙে মোর ঘরের চাবি (১৯১৮ )
ও দেখা দিয়ে যে চলে গেল (১৯১৮ )
আজি বিজন ঘরে নিশীথরাতে (১৯১৮ )
ওহে সুন্দর, মরি মরি (১৯১৮ )
কান্নাহাসির-দোল-দোলানো পৌষ-ফাগুনের (১৯১৮ )
সে কোন্ বনের হরিণ ছিল আমার মনে (১৯১৮ )
অশ্রুনদীর সুদূর পারে (১৯১৮ )
সবার সাথে চলতেছিল (১৯১৮ )
জাগরণে যায় বিভাবরী (১৯১৮ )
আকাশ হতে আকাশপথে (১৯১৮ )
কোন্ সুদূর হতে আমার মনোমাঝে (১৯১৮ )
আয় আয় রে পাগল (১৯১৮ )
অনেক পাওয়ার মাঝে মাঝে (১৯১৮ )
আমার সকল দুখের প্রদীপ জ্বেলে (১৯১৮ )
তুমি একলা ঘরে ব’সে ব’সে (১৯১৮ )
আমার পাত্রখানা যায় যদি যাক + (১৯১৮ )
পাত্রখানা যায় যদি + (১৯১৮ )
ছিল যে পরানের অন্ধকারে (১৯১৮ )
অকারণে অকালে মোর (১৯১৮ )
আকাশ জুড়ে শুনিনু ওই বাজে (১৯১৮ )
দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইল না (১৯১৮ )
সে যে বাহির হল আমি জানি (১৯১৮ )
তোমায় কিছু দেব ব’লে (১৯১৮ )
আমি আছি তোমার সভার দুয়ারদেশে (১৯১৮ )
আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলেম গান (১৯১৮ )
তোমারি ঝরনাতলার নির্জনে (১৯১৮ )
ফাগুন-হাওয়ায় রঙে রঙে (১৯১৮ )
সুর ভুলে যেই ঘুরে বেড়াই (১৯১৮ )
গানের ভিতর দিয়ে যখন (১৯১৮ )
তোমার দ্বারে কেন আসি ভুলেই যে যাই (১৯১৮ )
যে আমি ঐ ভেসে চলে (১৯১৮ )
যারা কথা দিয়ে তোমার কথা বলে (১৯১৮ )
জীবনমরণের সীমানা ছাড়ায়ে (১৯১৯ )
নমি নমি চরণে (১৯১৯ )
পথিক হে, ওই-যে চলে (১৯১৯ )
মাটির প্রদীপখানি আছে (১৯১৯ )
পাখি আমার নীড়ের পাখি (১৯১৯ )
আমি তারেই খুঁজে বেড়াই (১৯১৯ )
এই বুঝি মোর ভোরের তারা (১৯১৯ )
ওই বুঝি কালবৈশাখী (১৯১৯ )
আমার জীর্ণ পাতা যাবার বেলায় (১৯১৯ )
মোর বীণা ওঠে (১৯১৯ )
আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে (১৯১৯ )
আমি জ্বালব না মোর বাতায়নে (১৯১৯ )
আজ সবার রঙে রঙ মিশাতে হবে (১৯১৯ )
সময় আমার নাই যে + (১৯১৯ )
নাই নাই নাই যে বাকি + (১৯১৯ )
আমার দিন ফুরালো ব্যাকুল বাদলসাঁঝে (১৯১৯ )
এবার রঙিয়ে গেল হৃদয়গগন (১৯১৯ )
চোখ যে ওদের ছুটে চলে গো (১৯২০ )
বসন্ত, তোর শেষ ক’রে দে রঙ্গ (১৯২০ )
আকাশ হতে খসল তারা (১৯২০ )
আগুনে হল আগুনময় (১৯২০ )
অরূপবীণা রূপের আড়ালে লুকিয়ে বাজে (১৯২০ )
বাহিরে ভুল হানবে যখন (১৯২০ )
এখনো গেল না আঁধার (১৯২০ )
মাধবী হঠাৎ কোথা হতে (১৯২০ )