1931 – 1941

বাসন্তী, হে ভুবনমোহিনী (১৯৩১ )

সুরের গুরু, দাও গো সুরের দীক্ষা (১৯৩১ )

তুমি সুন্দর, যৌবনঘন (১৯৩১ )

আন্‌ গো তোরা কার কি আছে (১৯৩১ )

ফাগুন, হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান (১৯৩১ )

গানের ডালি ভরে দে গো (১৯৩১ )

নিবিড় অমা-তিমির হতে (১৯৩১ )

ওরে গৃহবাসী খোল্‌,দ্বার খোল্‌ (১৯৩১ )

ওরা অকারণে চঞ্চল (নবীন) (১৯৩১ )

বেদনা কী ভাষায় রে (১৯৩১ )

বসন্তে বসন্তে তোমার কবিরে দাও ডাক (১৯৩১ )

যখন মল্লিকাবনে প্রথম + (১৯৩১ )

আমার মল্লিকাবনে + (১৯৩১ )

ঝরা পাতা গো, আমি তোমারি দলে (১৯৩১ )

কখন দিলে পরায়ে (১৯৩১ )

ক্লান্ত যখন আম্রকলির কাল (১৯৩১ )

তুমি কিছু দিয়ে যাও (১৯৩১ )

বাজে করুণ সুরে (১৯৩১ )

মিলনরাতি পোহালো, বাতি (১৯৩১ )

শুভ্র প্রভাতে পূর্ব গগনে (১৯৩১ )

একলা ব⤘সে, হেরো, তোমার ছবি (১৯৩১ )

আয় তোরা আয় আয় গো (১৯৩১ )

তোমাদের দান যশের ডালায় (১৯৩১ )

সকলকলুষতামসহর, জয় হোক (১৯৩১ )

কী ধ্বনি বাজে (১৯৩১ )

ওরা অকারণে চঞ্চল (১৯৩১ )

কত ডেকে ডেকে জাগাইছ মোরে (১৯৩২ )

আছ আপন মহিমা (১৯৩২ )

মন রে ওরে মন (১৯৩২ )

আমি যখন ছিলেম অন্ধ (১৯৩২ )

সকাল বেলার কুঁড়ি আমার (১৯৩২ )

দেখা না-দেখায় মেশা (১৯৩২ )

দয়া করো, দয়া করো প্রভু (১৯৩২ )

ও জলের রানী (১৯৩৩ )

ভয় নেই রে তোদের (১৯৩৩ )

ঝাঁকড়া চুলের মেয়ের কথা (১৯৩৩ )

যে আমারে দিয়েছে ডাক (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

বলে, দাও জল, দাও জল (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

চক্ষে আমার তৃষ্ণা ওগো (১৯৩৩ )

ফুল বলে, ধন্য আমি (১৯৩৩ )

ফুল বলে, ধন্য আমি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

ওগো, তোমার চক্ষু দিয়ে মেলে সত্য দৃষ্টি (১৯৩৩ )

ডাকব না, ডাকব না + (১৯৩৩ )

না না না ) ডাকব না, ডাকব না + (১৯৩৩ )

আমি তারেই জানি তারেই জানি (১৯৩৩ )

আমায় দোষী করো + (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

দোষী করো আমায়, দোষী করো + (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু গুরু গুরু (১৯৩৩ )

দুঃখ দিয়ে মেটাব (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

দুঃখ দিয়ে মেটাব দুঃখ তোমার (১৯৩৩ )

হে মহাদুঃখ, হে রুদ্র, হে ভয়ঙ্কর (১৯৩৩ )

আমি তোমারি মাটির কন্যা, জননী বসুন্ধরা (১৯৩৩ )

মম রুদ্ধমুকুলদলে এসো (১৯৩৩ )

পথের শেষ কোথায় (১৯৩৩ )

হে নবীনা (১৯৩৩ )

তোমার মন বলে, চাই + (১৯৩৩ )

আমার মন বলে চাই, চা ই, চাই গো + (১৯৩৩ )

এলেম নতুন দেশে (১৯৩৩ )

হা-আ-আ-আই (১৯৩৩ )

আমরা চিত্র অতি বিচিত্র (১৯৩৩ )

হাঁচ্ছো!– ভয় কী দেখাচ্ছো (১৯৩৩ )

আমরা নূতন যৌবনেরই দূত (১৯৩৩ )

চলো নিয়মমতে (১৯৩৩ )

জয় জয় তাসবংশ-অবতংস (১৯৩৩ )

চিঁড়েতন হর্তন ইস্কাবন (১৯৩৩ )

ওগো শান্ত পাষাণমুরতি সুন্দরী (১৯৩৩ )

আমি ফুল তুলিতে এলেম বনে (১৯৩৩ )

তোমার পায়ের তলায় যেন গো রঙ লাগে (১৯৩৩ )

উতল হাওয়া লাগল আমার (১৯৩৩ )

বিজয়মালা এনো আমার লাগি (১৯৩৩ )

ইচ্ছে– ইচ্ছে (১৯৩৩ )

হে বিরহী, হায়, চঞ্চল হিয়া তব (শ্যামা) (১৯৩৩ )

হে বিরহী, হায়, চঞ্চল হিয়া তব (১৯৩৩ )

বলেছিল ‘ধরা দেব না’ (১৯৩৩ )

না চাহিলে যারে পাওয়া যায় (১৯৩৩ )

ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে (১৯৩৩ )

পিনাকেতে লাগে টঙ্কার (১৯৩৩ )

তোমায় সাজাব যতনে (১৯৩৩ )

যায় যদি যাক সাগরতীরে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৩ )

নমো নমো শচীচিতরঞ্জন (১৯৩৪ )

প্রহরশেষের আলোয় রাঙা (১৯৩৪ )

বারতা পেয়েছি মনে মনে + (১৯৩৪ )

হে সখা, বারতা পেয়েছি + (১৯৩৪ )

দূরের বন্ধু সুরের দূতীরে (১৯৩৪ )

মায়াবনবিহারিণী হরিণী (শ্যামা) (১৯৩৪ )

কোন্‌ গহন অরণ্যে তারে (১৯৩৪ )

কাছে থেকে দূর রচিল (১৯৩৪ )

মম মন-উপবনে চলে অভিসারে (১৯৩৪ )

বঁধু, কোন্‌ মায়া + (শাপমোচন) (১৯৩৪ )

বঁধু, কোন্‌ আলো লাগল চোখে + (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৪ )

মনে হল পেরিয়ে এলেম অসীম পথ (১৯৩৫ )

জানি জানি এসেছ এ পথে মনের ভুলে (১৯৩৫ )

আমার বনে বনে ধরল মুকুল (১৯৩৫ )

আজি বরিষন-মুখরিত (১৯৩৫ )

মনে হল, যেন পেরিয়ে এলেম (১৯৩৫ )

জানি জানি, তুমি এসেছ এ পথে (১৯৩৫ )

কী বেদনা মোর জানো সে কি তুমি (১৯৩৫ )

আমার কী বেদনা সে কি জান (১৯৩৫ )

কাঁটাবনবিহারিণী সুর-কানা দেবী (১৯৩৫ )

আমরা না-গান গাওয়ার দল রে + (১৯৩৫ )

না-গান গাওয়ার দল রে + (১৯৩৫ )

পায়ে পড়ি শোনো ভাই গাইয়ে (১৯৩৫ )

ও ভাই কানাই, কারে জানাই (১৯৩৫ )

আমার অন্ধপ্রদীপ শূন্য-পানে চেয়ে আছে (১৯৩৫ )

চলে যাবি এই যদি তোর মনে থাকে (১৯৩৫ )

ওই রে তরী দিল খুলে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

মোহিনী মায়া এল (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

গুরু গুরু গুরু গুরু ঘন মেঘ গরজে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

অহো, কী দুঃসহ স্পর্ধা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

বেলা যায় বহিয়া (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

ওরে ঝড় নেমে আয় (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

থাক্‌ থাক্‌, মিছে কেন (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

যাও যাও যদি যাও তবে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

শুনি ক্ষণে ক্ষণে মনে মনে + (১৯৩৬ )

ক্ষণে ক্ষণে মনে মনে শুনি+ (১৯৩৬ )

ক্ষণে ক্ষণে মনে মনে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে (১৯৩৬ )

দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমি তোমারে করিব নিবেদন (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

ক্ষমা করো আমায় (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

রোদন-ভরা এ বসন্ত + (১৯৩৬ )

রোদন-ভরা এ বসন্ত (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তোমার বৈশাখে ছিল প্রখর রৌদ্রের জ্বালা (১৯৩৬ )

তোমার বৈশাখে ছিল (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমার এই রিক্ত ডালি (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমার এই রিক্ত ডালি (১৯৩৬ )

মণিপুরনৃপদুহিতা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

পুরুষের বিদ্যা করেছিনু শিক্ষা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তাই আমি দিনু বর (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাঁশি (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমার অঙ্গে অঙ্গে কে বাজায় বাঁশি (১৯৩৬ )

স্বপ্নমদির নেশায় মেশা এ উন্মত্ততা (১৯৩৬ )

স্বপ্নমদির নেশায় মেশা এ উন্মত্ততা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

এরে ক্ষমা কোরো সখা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

কাহারে হেরিলাম! আহা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তুমি অতিথি, অতিথি আমার (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

পাণ্ডব আমি অর্জুন গাণ্ডীবধন্বা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

কোন্‌ ছলনা এ যে নিয়েছে আকার (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

কোন্‌ দেবতা সে কী পরিহাসে (১৯৩৬ )

কোন্‌ দেবতা সে কী পরিহাসে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

অশান্তি আজ হানল এ কী (১৯৩৬ )

অশান্তি আজ হানল (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

ভস্মে ঢাকে ক্লান্ত হুতাশন (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

না না না সখী, ভয় নেই (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

কেটেছে একেলা বিরহের বেলা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

কেটেছে একেলা বিরহের বেলা (১৯৩৬ )

কেন রে ক্লান্তি আসে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

হো, এল এল এল রে দস্যুর দল (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

সন্ত্রাসের বিহ্বলতা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

চিত্রাঙ্গদা রাজকুমারী (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

ছি, ছি, কুৎসিত কুরূপ সে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আগ্রহ মোর অধীর অতি (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

নারীর ললিত লোভন লীলায় (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

নারীর ললিত লোভন লীলায় (১৯৩৬ )

যদি মিলে দেখা তবে তারি সাথে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

ভাগ্যবতী সে যে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

লহো লহো, ফিরে লহো (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তাই হোক তবে তাই হোক (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

বিনা সাজে সাজি (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

এসো এসো পুরুষোত্তম (১৯৩৬ )

এসো এসো পুরুষোত্তম (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

হে কৌন্তেয় (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

আমি চিত্রাঙ্গদা (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তুমি তৃষ্ণার শান্তি + (১৯৩৬ )

তৃষ্ণার শান্তি সুন্দরকান্তি (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

তৃষ্ণার শান্তি সুন্দরকান্তি + (১৯৩৬ )

এস’ এস’ বসন্ত ধরাতলে (চিত্রাঙ্গদা) (১৯৩৬ )

প্রভু, বলো বলো কবে (১৯৩৬ )

হে আকাশবিহারী নীরদবাহন জল (১৯৩৬ )

এখনো কেন সময় নাহি হল (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

এখনো কেন সময় নাহি হল (১৯৩৬ )

রাজার আদেশ ভাই (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

ধর ধর, ওই চোর (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

ধর ধর, ওই চোর (শ্যামা) (১৯৩৬ )

আহা মরি মরি (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

আহা মরি মরি (শ্যামা) (১৯৩৬ )

সুন্দরের বন্ধন নিষ্ঠুরের হাতে (১৯৩৬ )

সুন্দরের বন্ধন নিষ্ঠুরের হাতে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

সুন্দরের বন্ধন নিষ্ঠুরের হাতে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

তোমাদের একি ভ্রান্তি (শ্যামা) (১৯৩৬ )

তোমাদের একি ভ্রান্তি (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

চুরি হয়ে গেছে রাজকোষে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

চুরি হয়ে গেছে রাজকোষে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এ কী খেলা হে সুন্দরী (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

এ কী খেলা হে সুন্দরী (শ্যামা) (১৯৩৬ )

কোন্‌ অযাচিত আশার আলো (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কোন্‌ অযাচিত আশার আলো (১৯৩৬ )

এ কী আনন্দ (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

আহা, এ কী আনন্দ (শ্যামা) (১৯৩৬ )

বোলো না বোলো না (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

বোলো না, বোলো না (শ্যামা) (১৯৩৬ )

জেনো প্রেম চিরঋণী আপনারি হরষে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

জেনো প্রেম চিরঋণী আপনারই হরষে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

জেনো প্রেম চিরঋণী আপনারই হরষে (১৯৩৬ )

হে বিদেশী, এসো এসো (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

প্রেমের জোয়ারে ভাসাবে দোঁহারে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

প্রেমের জোয়ারে ভাসাবে দোঁহারে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

প্রেমের জোয়ারে ভাসাবে দোঁহারে (১৯৩৬ )

কহো কহো মোরে প্রিয়ে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কী করিয়া সাধিলে অসাধ্য ব্রত (শ্যামা) (১৯৩৬ )

কী করিয়া সাধিলে অসাধ্য ব্রত (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কাঁদিতে হবে রে, রে পাপিষ্ঠা (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কাঁদিতে হবে রে, রে পাপিষ্ঠা (শ্যামা) (১৯৩৬ )

ক্ষমা করো নাথ (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

হে ক্ষমা করো নাথ (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এ জন্মের লাগি (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এ জন্মের লাগি (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

হায়, এ কী সমাপন (শ্যামা) (১৯৩৬ )

হায়, এ কী সমাপন (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

সব কিছু কেন নিল না (১৯৩৬ )

সব কিছু কেন নিল না (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

সব কিছু কেন নিল না (শ্যামা) (১৯৩৬ )

ক্ষমিতে পারিলাম না যে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

ক্ষমিতে পারিলাম না যে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এসো এসো, এসো প্রিয়ে (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এসো এসো, এসো প্রিয়ে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

হায় রে নূপুর (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

হায় রে, হায় রে নূপুর (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এসেছি, প্রিয়তম (শ্যামা) (১৯৩৬ )

এসেছি, প্রিয়তম (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

ধিক্‌ ধিক্‌ ওরে মুগ্ধ (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কঠিন বেদনার তাপস দোঁহে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

কঠিন বেদনার তাপস দোঁহে (১৯৩৬ )

চলে ছলছল নদীধারা (১৯৩৬ )

ওই মালতীলতা দোলে (১৯৩৬ )

আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড ডম্বরু (১৯৩৬ )

এবার ভাসিয়ে দিতে হবে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে (পরিশোধ) (১৯৩৬ )

শুভ কর্মপথে ধর’ নির্ভয় গান (১৯৩৭ )

চলো যাই চলো, যাই চলো, যাই (১৯৩৭ )

হৃদয়ে হৃদয় আসি মিলে যায় যেথা (১৯৩৭ )

দুঃখের তিমিরে যদি জ্বলে (১৯৩৭ )

আমরা ঝ’রে-পড়া ফুলদল (১৯৩৭ )

ওরে নূতন যুগের ভোরে (১৯৩৭ )

এসো শ্যামলসুন্দর (১৯৩৭ )

আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি (১৯৩৭ )

আমি শ্রাবণ-আকাশে ওই দিয়েছি পাতি (আখর-যুক্ত) (১৯৩৭ )

চিনিলে না আমারে কি (১৯৩৭ )

মনে কী দ্বিধা রেখে গেলে চলে (১৯৩৭ )

আজি গোধূলিলগনে এই বাদলগগনে (১৯৩৭ )

থামাও রিমিকি-ঝিমিকি বরিষন (১৯৩৭ )

বর্ষণমন্দ্রিত অন্ধকারে (১৯৩৭ )

আমি তখন ছিলেম মগন গহন (১৯৩৭ )

ওগো আমার চির-অচেনা (১৯৩৭ )

মেঘ-ছায়ে সজল বায়ে (১৯৩৭ )

গোধূলিগগনে মেঘে ঢেকেছিল তারা (১৯৩৭ )

মধু-গন্ধে ভরা মৃদুস্নিগ্ধছায়া (১৯৩৭ )

আমার প্রাণের মাঝে সুধা আছে, চাও কি (১৯৩৭ )

আজি পল্লিবালিকা অলকগুচ্ছ সাজালো (১৯৩৭ )

শ্রাবণের পবনে আকুল বিষণ্ণ সন্ধ্যায় (১৯৩৭ )

আমার যে দিন ভেসে গেছে চোখের জলে (১৯৩৭ )

তারে দেখাতে পারি নে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সখী, সে গেল কোথায় (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

মোরা জলে স্থলে কত ছলে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

পথ-হারা তুমি পথিক যেন গো (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

জীবনে আজ কি প্রথম এল বসন্ত (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

কাছে আছে দেখিতে না পাও (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

আমার পরান যাহা চায় (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

দে লো সখী, দে পরাইয়ে গলে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সখী, বহে গেল বেলা (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ওলো, রেখে দে সখী (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

যেয়ো না, যেয়ো না, যেয়ো না ফিরে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

কে ডাকে ! আমি কভু ফিরে নাহি চাই (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

এসেছি গো এসেছি (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ওকে বল্‌ সখী + (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ওকে বলো সখী + (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

আপন মন নিয়ে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ভালোবেসে যদি সুখ নাহি (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সুখে আছি, সুখে আছি (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ভালোবেসে দুখ সেও সুখ (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

দূরে দাঁড়ায়ে আছে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ওগো, দেখি, আঁখি তুলে চাও (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ওকে বোঝা গেল না (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সখী, সাধ ক’রে যাহা দেবে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

এ তো খেলা নয়, খেলা নয় (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সেজন কে, সখী, বোঝা গেছে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

তারে কেমনে ধরিবে সখী (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সকল হৃদয় দিয়ে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

তুমি কে গো, সখীরে কেন (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

তবে সুখে থাকো, সুখে থাকো (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ভুল করেছিনু, ভুল ভেঙেছে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

অলি বারবার ফিরে যায় (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

না বুঝে কারে তুমি ভাসালে আঁখিজলে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

এস’ এস’, বসন্ত ধরাতলে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

এ কি স্বপ্ন! এ কি মায়া (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ও কি এল, ও কি এল না (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

সখী, প্রতিদিন হায় এসে ফিরে যায় কে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

আজ খেলা ভাঙার খেলা (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

নব বসন্তের দানের ডালি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

নব বসন্তের দানের ডালি (১৯৩৮ )

আমার মালার ফুলের দলে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

আমার মালার ফুলের দলে আছে লেখা (১৯৩৮ )

দই চাই গো, দই চাই (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওকে ছুঁয়ো না, ছুঁয়ো না, ছি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওগো তোমরা যত পাড়ার মেয়ে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

যে আমারে পাঠালো এই (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

কী যে ভাবিস তুই অন্যমনে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

কাজ নেই, কাজ নেই মা (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

জল দাও আমায় জল দাও (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ক্ষমা করো প্রভু (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

শুধু একটি গণ্ডূষ জল (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

মাটি তোদের ডাক দিয়েছে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওগো ডেকো না মোরে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

স্বর্ণবর্ণে সমুজ্জ্বল নব চম্পাদলে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

তুই অবাক করে দিলি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

কিসের ডাক তোর (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

হাঁ গো মা, সেই কথাই তো বলে গেলেন তিনি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

কী কথা বলিস তুই (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

এ নতুন জন্ম, নতুন জন্ম (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

সে যে পথিক আমার (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

বাছা, সহজ ক’রে বল্‌ আমাকে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

আমি চাই তাঁরে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

সাত দেশেতে খুঁজে খুঁজে গো (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওগো মা, ওই কথাই তো ভালো (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

না, কিছুই থাকবে না (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

তুই যে আমার বুক চেরা ধন + (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

বাছা, তুই যে আমার বুক চেরা ধন + (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

কী অসীম সাহস তোর মেয়ে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

মা, ওই-যে তিনি চলেছেন (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওরে বাছা দেখতে পারি নে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

পড়্‌ তুই সব চেয়ে নিষ্ঠুর মন্ত্র (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ভাবনা করিস নে তুই (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওই দেখ্‌ পশ্চিমে মেঘ ঘনালো (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

লজ্জা ! ছি ছি লজ্জা ! (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ওরে বাছা এখনি অধীর হলি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

আমি দেখব না (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

থাক্‌ থাক্‌ তবে থাক্‌ (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

সেই ভালো মা, সেই ভালো (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

মা গো, এত দিনে মনে হচ্ছে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ঘন কালো মেঘ তাঁর পিছনে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ক্ষুধার্ত প্রেম তার নাই দয়া (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

জাগে নি এখনো জাগে নি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ঘুমের ঘন গহন হতে (১৯৩৮ )

ঘুমের ঘন গহন হতে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

না দেখব না, আমি (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

অভিশাপ নয় নয় (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

ও মা, ও মা, ও মা (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

প্রভু এসেছ উদ্ধারিতে (নৃঃ চণ্ডালিকা) (১৯৩৮ )

এক দিন চিনে নেবে তারে (১৯৩৮ )

প্রথম যুগের উদয়দিগঙ্গনে (১৯৩৮ )

তোমার মনের একটি কথা আমায় বলো বলো (১৯৩৮ )

উদাসিনী সে বিদেশিনী কে (১৯৩৮ )

উদাসিনী-বেশে বিদেশিনী কে সে (১৯৩৮ )

আমার প্রিয়ার ছায়া আকাশে আজ ভাসে (১৯৩৮ )

যায় দিন, শ্রাবণদিন যায় (১৯৩৮ )

গুরুপদে মন করো অর্পণ (১৯৩৮ )

আমার মন কেমন করে (১৯৩৮ )

যে ছিল আমার স্বপনচারিণী (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

যে ছিল আমার স্বপনচারিণী (১৯৩৮ )

সখী, দেখে যা এবার + (১৯৩৮ )

সখী, তোরা দেখে যা এবার + (১৯৩৮ )

যুদ্ধ যখন বাধিল অচলে চঞ্চলে (১৯৩৮ )

জীবনে পরম লগন কোরো না হেলা (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

জীবনে পরম লগন কোরো না হেলা (১৯৩৮ )

জীবনে পরম লগন কোরো না হেলা (শ্যামা) (১৯৩৮ )

আমার নিখিল ভুবন হারালেম (১৯৩৮ )

আমার নিখিল ভুবন হারালেম (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ভুল কোরো না (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ভুল কোরো না + (১৯৩৮ )

না না, ভুল কোরো না + (১৯৩৮ )

ডেকো না আমারে ডেকো না (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ডেকো না আমারে, ডেকো না (১৯৩৮ )

হায় হতভাগিনী (১৯৩৮ )

হায় হতভাগিনী (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

কোন্‌ সে ঝড়ের ভুল (১৯৩৮ )

কোন সে ঝড়ের ভুল (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

ছি ছি, মরি লাজে (১৯৩৮ )

ছি ছি, মরি লাজে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

শুভমিলন-লগনে বাজুক (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

শুভমিলন-লগনে বাজুক (১৯৩৮ )

আর নহে, আর নহে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

আর নহে, আর নহে (১৯৩৮ )

ছিন্ন শিকল পায়ে নিয়ে (১৯৩৮ )

ছিন্ন শিকল পায়ে নিয়ে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

যাক ছিঁড়ে, যাক ছিঁড়ে যাক (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

যাক ছিঁড়ে, যাক ছিঁড়ে যাক (১৯৩৮ )

দুঃখের যজ্ঞ-অনল-জ্বলনে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

দুঃখের যজ্ঞ-অনল-জ্বলনে (১৯৩৮ )

যেমন দখিন বায়ু ছুটেছে (নৃঃ মায়ার খেলা) (১৯৩৮ )

তুমি কি পঞ্চশর (১৯৩৯ )

হে বিদেশী এসো এসো (শ্যামা) (১৯৩৯ )

কহো কহো মোরে প্রিয়ে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

আজকে মোরে বোলো না কাজ করতে (১৯৩৯ )

গোপন কথাটি রবে না গোপনে (১৯৩৯ )

তোলন-নামন পিছন-সামন (১৯৩৯ )

বলো সখী, বলো তারি নাম (১৯৩৯ )

অজানা সুর কে দিয়ে যায় (১৯৩৯ )

গগনে গগনে ধায় হাঁকি (১৯৩৯ )

ভাঙো বাঁধ ভেঙে দাও (১৯৩৯ )

তুমি ইন্দ্রমণির হার (শ্যামা) (১৯৩৯ )

না না না বন্ধু (শ্যামা) (১৯৩৯ )

ও জান না কি (শ্যামা) (১৯৩৯ )

থামো, থামো– কোথায় চলেছ (শ্যামা) (১৯৩৯ )

এই পেটিকা আমার বুকের পাঁজর যে রে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

ভালো ভালো, তুমি দেখব পালাও কোথা (শ্যামা) (১৯৩৯ )

ফিরে যাও কেন ফিরে ফিরে যাও (১৯৩৯ )

ফিরে যাও কেন ফিরে ফিরে যাও (শ্যামা) (১৯৩৯ )

হতাশ হোয়ো না (শ্যামা) (১৯৩৯ )

ধরা সে যে দেয় নাই (১৯৩৯ )

ধরা সে যে দেয় নাই (শ্যামা) (১৯৩৯ )

রাজার প্রহরী ওরা অন্যায় অপবাদে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

ন্যায় অন্যায় জানি নে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

এত দিন তুমি সখা (শ্যামা) (১৯৩৯ )

আমার জীবনপাত্র উচ্ছলিয়া (১৯৩৯ )

আমার জীবনপাত্র উচ্ছলিয়া (শ্যামা) (১৯৩৯ )

তোমার প্রেমের বীর্যে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

প্রহরী, ওগো প্রহরী (শ্যামা) (১৯৩৯ )

বুক যে ফেটে যায় (শ্যামা) (১৯৩৯ )

নাম লহো দেবতার (শ্যামা) (১৯৩৯ )

থাম্‌ রে, থাম্‌ রে তোরা (শ্যামা) (১৯৩৯ )

কোন্‌ অপরূপ স্বর্গের আলো (শ্যামা) (১৯৩৯ )

বাজে গুরুগুরু শঙ্কার ডঙ্কা (শ্যামা) (১৯৩৯ )

বাজে গুরুগুরু শঙ্কার ডঙ্কা (১৯৩৯ )

হায়, হায় রে, হায় পরবাসী (শ্যামা) (১৯৩৯ )

হায় হায় রে, হায় পরবাসী (১৯৩৯ )

পুরী হতে পালিয়েছে যে পুরসুন্দরী (শ্যামা) (১৯৩৯ )

রাজভবনের সমাদর সম্মান ছেড়ে (শ্যামা) (১৯৩৯ )

দাঁড়াও, কোথা চলো (শ্যামা) (১৯৩৯ )

কোন্‌ বাঁধনের গ্রন্থি বাঁধিল (১৯৩৯ )

কোন্‌ বাঁধনের গ্রন্থি বাঁধিল (শ্যামা) (১৯৩৯ )

হৃদয়-বসন্তবনে যে মাধুরী বিকাশিল (শ্যামা) (১৯৩৯ )

নীরবে থাকিস সখী (শ্যামা) (১৯৩৯ )

নীরবে থাকিস সখী (১৯৩৯ )

তোমায় দেখে মনে লাগে ব্যথা (শ্যামা) (১৯৩৯ )

আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ (১৯৩৯ )

এই উদাসী হাওয়ার পথে পথে (১৯৩৯ )

বসন্ত সে যায় তো হেসে (১৯৩৯ )

আজি দক্ষিণপবনে (১৯৩৯ )

আমি যে গান গাই জানি নে সে (১৯৩৯ )

ওগো পড়োশিনি, শুনি বনপথে (১৯৩৯ )

আমার আপন গান আমার অগোচরে (১৯৩৯ )

ওগো স্বপ্নস্বরূপিণী (১৯৩৯ )

ওরে জাগায়ো না (১৯৩৯ )

দিনান্তবেলায় শেষের ফসল (১৯৩৯ )

ধূসর জীবনের গোধূলিতে ক্লান্ত আলোয় ম্লানস্মৃতি (১৯৩৯ )

অধরা মাধুরী ধরেছি ছন্দোবন্ধনে (১৯৩৯ )

আমার যেতে সরে না মন (১৯৩৯ )

তুমি কোন্‌ ভাঙনের পথে এলে (১৯৩৯ )

বাদল-দিনের প্রথম কদম ফুল (১৯৩৯ )

এসো গো জ্বেলে দিয়ে যাও (১৯৩৯ )

মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো (১৯৩৯ )

রিমিকি ঝিমিকি ঝরে + (১৯৩৯ )

যবে রিমিকি ঝিমিকি + (১৯৩৯ )

বারে বারে ফিরে ফিরে তোমার পানে (১৯৩৯ )

ধূসর জীবনের গোধূলিতে ক্লান্ত মলিন (১৯৩৯ )

ওগো সাঁওতালি ছেলে (১৯৩৯ )

আমি আশায় আশায় থাকি (১৯৩৯ )

ভোর থেকে আজ বাদল ছুটেছে (১৯৩৯ )

আমি কী গান গাব যে ভেবে না পাই (১৯৩৯ )

কিছু বলব ব’লে এসেছিলেম (১৯৩৯ )

মন মোর মেঘের সঙ্গী (১৯৩৯ )

আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে (১৯৩৯ )

আজি ঝরঝর মুখর বাদর-দিনে (১৯৩৯ )

স্বপ্নে আমার মনে হল (১৯৩৯ )

শ্রাবণের গগনের গায় + (১৯৩৯ )

আজ শ্রাবণের গগনের + (১৯৩৯ )

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে (১৯৩৯ )

এসেছিলে তবু আস নাই (১৯৩৯ )

এসেছিনু দ্বারে তব শ্রাবণরাতে (১৯৩৯ )

নিবিড় মেঘের ছায়ায় মন দিয়েছি মেলে (১৯৩৯ )

পাগলা হাওয়ার বাদল-দিনে (১৯৩৯ )

আজি মেঘ কেটে গেছে সকালবেলায় (১৯৩৯ )

সঘন গহন রাত্রি (১৯৩৯ )

ওগো তুমি পঞ্চদশী (১৯৩৯ )

সবারে করি আহ্বান (১৯৩৯ )

মম দুঃখের সাধন (১৯৩৯ )

বাণী মোর নাহি (১৯৩৯ )

দোষী করিব না, করিব না তোমারে (১৯৩৯ )

দৈবে তুমি কখন নেশায় পেয়ে (১৯৩৯ )

যদি হায় জীবন পূরণ নাই হল (১৯৩৯ )

সমুখে শান্তিপারাবার (১৯৩৯ )

আমরা দূর আকাশের নেশায় মাতাল (১৯৩৯ )

বাহির হলেম আমি আপন (১৯৩৯ )

শুনি ওই রুনু ঝুনু (১৯৩৯ )

এই তো ভরা হল ফুলে ফুলে (১৯৩৯ )

সুরের জালে কে জড়ালে আমার মন (১৯৩৯ )

কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার (১৯৩৯ )

এক দিন যারা মেরেছিল তাঁরে গিয়ে (১৯৩৯ )

নব-জীবনের যাত্রাপথে (১৯৩৯ )

প্রেমের মিলনদিনে সত্য সাক্ষী যিনি (১৯৩৯ )

সুমঙ্গলী বধূ (১৯৩৯ )

প্রেম এসেছিল নিঃশব্দচরণে (১৯৪০ )

নির্জন রাতে নিঃশব্দ চরণপাতে (১৯৪০ )

আজি কোন্‌ সুরে বাঁধিব (১৯৪০ )

বিশ্ববিদ্যাতীর্থপ্রাঙ্গণ কর’ মহোজ্জ্বল (১৯৪০ )

এসো এসো ওগো শ্যামছায়াঘন দিন (১৯৪০ )

শ্রাবণের বারিধারা (১৯৪০ )

আলোকের পথে, প্রভু (১৯৪০ )

যারা বিহান বেলায় গান এনেছিল (১৯৪০ )

পাখি তোর সুর ভুলিস নে (১৯৪০ )

আমার হারিয়ে যাওয়া দিন (১৯৪০ )

ওই মহামানব আসে (১৯৪১ )

হে নূতন, দেখা দিক আর-বার (১৯৪১ )