1921 – 1930

তোমার এ কী অনুকম্পা (১৯২১ )

একদিন সইতে পারবে (১৯২১ )

অসুন্দরের পরম বেদনায় (১৯২১ )

বাদল-মেঘে মাদল বাজে (১৯২১ )

ওগো আমার শ্রাবণমেঘের (১৯২১ )

তিমির-অবগুণ্ঠনে বদন তব ঢাকি (১৯২১ )

এই শ্রাবণের বুকের ভিতর (১৯২১ )

মেঘের কোলে কোলে যায় রে চলে (১৯২১ )

হৃদয়ে ছিলে জেগে (১৯২১ )

হায় গো, ব্যথায় কথা যায় ডুবে যায় (১৯২১ )

যখন সারা নিশি ছিলেম শুয়ে + (১৯২১ )

সারা নিশি ছিলেম শুয়ে বিজন ভুঁয়ে + (১৯২১ )

কেন যে মন ভোলে আমার (১৯২১ )

আমারে ডাক দিল কে ভিতর-পানে (১৯২১ )

আমার সুরে লাগে তোমার হাসি (১৯২১ )

খেলার ছলে সাজিয়ে আমার (১৯২১ )

আমার অভিমানের বদলে আজ (১৯২১ )

আমার হৃদয় তোমার আপন হাতের (১৯২১ )

আমায় দাও গো ব’লে (১৯২১ )

বুঝেছি কি বুঝি নাই বা (১৯২১ )

দিন অবসান হল (১৯২১ )

আমার মনের মাঝে যে গান বাজে (১৯২১ )

আকাশে আজ কোন্‌ চরণের (১৯২১ )

এই কথাটি মনে রেখো (১৯২১ )

আমার যদি বেলা যায় গো বয়ে (১৯২১ )

আমার দোসর যে জন ওগো তারে কে জানে (১৯২১ )

কোথা হতে শুনতে যেন পাই (১৯২১ )

পূর্ণচাঁদের মায়ায় আজি (১৯২১ )

তোমরা যা বল তাই বলো (১৯২১ )

আমার মনের কোণের বাইরে (১৯২১ )

আমি এলেম তারি দ্বারে (১৯২১ )

পাছে সুর ভুলি এই ভয় হয় (১৯২১ )

বসন্ত তার গান লিখে যায় (১৯২১ )

রজনীর শেষ তারা (১৯২১ )

দীপ নিবে গেছে মম নিশীথসমীরে (১৯২১ )

সময় কারো যে নাই (১৯২১ )

সার্থক কর’ সাধন (১৯২১ )

আমাকে যে বাঁধবে ধরে (মুক্তধারা) (১৯২২ )

ভুলে যাই থেকে থেকে (১৯২২ )

জয় ভৈরব, জয় শঙ্কর (১৯২২ )

নমো যন্ত্র, নমো– যন্ত্র, নমো (১৯২২ )

ও তো আর ফিরবে না রে (১৯২২ )

শুধু কি তার বেঁধেই তোর কাজ ফুরাবে (১৯২২ )

আমি মারের সাগর পাড়ি দেব (১৯২২ )

তোর শিকল আমায় বিকল করবে না (১৯২২ )

ফেলে রাখলেই কি পড়ে রবে (১৯২২ )

সাধন কি মোর আসন নেবে (১৯২২ )

শীতের হাওয়ায় লাগলো নাচন (১৯২২ )

রাতে রাতে আলোর শিখা (১৯২২ )

ফিরে চল্‌ ফিরে চল্‌ ফিরে চল্‌ মাটির টানে (১৯২২ )

এনেছ ওই শিরীষ বকুল আমের মুকুল (১৯২২ )

ও মঞ্জরী, ও মঞ্জরী (১৯২২ )

তোমার সুরের ধারা ঝরে যেথায় (১৯২২ )

জয় হোক, জয় হোক নব অরুণোদয় (১৯২২ )

ফাগুনের শুরু হতেই শুকনো পাতা (১৯২২ )

পূর্বাচলের পানে তাকাই (১৯২২ )

আসা-যাওয়ার পথের ধারে (১৯২২ )

কার যেন এই মনের বেদন (১৯২২ )

নিদ্রাহারা রাতের এ গান (১৯২২ )

এক ফাগুনের গান সে আমার (১৯২২ )

দারুণ অগ্নিবাণে (১৯২২ )

এসো এসো হে তৃষ্ণার জল (১৯২২ )

যারে নিজে তুমি ভাসিয়েছিলে (১৯২২ )

তাঁহার অসীম মঙ্গললোক হতে (১৯২২ )

বৈশাখের ঐ ভোরের হাওয়া (১৯২২ )

এই সকালবেলার বাদল-আঁধারে (১৯২২ )

আজি বর্ষারাতের শেষে (১৯২২ )

কখন বাদল ছোঁওয়া লেগে (১৯২২ )

দেওয়া নেওয়া ফিরিয়ে-দেওয়া (১৯২২ )

ক্লান্ত বাঁশির শেষ রাগিণী (১৯২২ )

আজ তালের বনের করতালি (১৯২২ )

আঁধার কুঁড়ির বাঁধন টুটে (১৯২২ )

হৃদয় আমার ওই বুঝি তোর ফাল্গুনী ঢেউ (১৯২২ )

প্রখর তপনতাপে (১৯২২ )

আজ নবীন মেঘের সুর লেগেছে (১৯২২ )

ভোর হল যেই শ্রাবণশর্বরী (১৯২২ )

একলা ব⤘সে একে একে অন্যমনে (১৯২২ )

শ্রাবণমেঘের আধেক দুয়ার (১৯২২ )

বৈশাখ হে, মৌনী তাপস (১৯২২ )

আসা-যাওয়ার মাঝখানে (১৯২২ )

বহু যুগের ওপার হতে (১৯২২ )

নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন (১৯২২ )

মনের মধ্যে নিরবধি শিকল গড়ার কারখানা (১৯২২ )

জলে-ডোবা চিকন শ্যামল (১৯২২ )

আমি কান পেতে রই আমার আপন (১৯২২ )

ওই-যে ঝড়ের মেঘের কোলে (১৯২২ )

আজ আকাশের মনের কথা (১৯২২ )

পুব-সাগরের পার হতে কোন্‌ (১৯২২ )

আজি হৃদয় আমার যায় যে ভেসে + (১৯২২ )

হৃদয় আমার যায় যে ভেসে + (১৯২২ )

আমার হৃদয় আজি যায় যে ভেসে + (১৯২২ )

এ কী গভীর বাণী এল ঘন মেঘের (১৯২২ )

বাদল-বাউল বাজায় রে একতারা (১৯২২ )

বৃষ্টিশেষের হাওয়া কিসের খোঁজে (১৯২২ )

বাদল-ধারা হল সারা (১৯২২ )

হৃদয় আমার, ওই বুঝি তোর বৈশাখী ঝড় (১৯২২ )

কোন্‌ খেলা যে খেলব কখন্‌ (১৯২২ )

তার বিদায়বেলায় মালাখানি (১৯২২ )

আমার কণ্ঠ হতে গান কে নিল ভুলায়ে (১৯২২ )

সে দিন আমায় বলেছিলে (১৯২২ )

এল যে শীতের বেলা (১৯২২ )

অনেক কথা বলেছিলেম (১৯২২ )

প্রথম আলোর চরণধ্বনি (১৯২২ )

স্বপন-লোকের বিদেশিনী (১৯২২ )

হিয়া-মাঝে গোপনে হেরিয়ে (১৯২২ )

যতখন তুমি আমায় বসিয়ে রাখ (১৯২৩ )

বারে বারে পেয়েছি যে তারে (১৯২৩ )

এ কী সুধারস আনে (১৯২৩ )

ফিরবে না তা জানি (১৯২৩ )

কত যে তুমি মনোহর (১৯২৩ )

শুষ্কতাপের দৈত্যপুরে (১৯২৩ )

হেমন্তে কোন্‌ বসন্তেরই বাণী (১৯২৩ )

শিউলি-ফোটা ফুরোল যেই (১৯২৩ )

অনেক দিনের মনের মানুষ (১৯২৩ )

পুরাতনকে বিদায় দিলে না যে (১৯২৩ )

ঝর-ঝর-ঝর-ঝর ঝরে রঙের ঝর্‌না (১৯২৩ )

ফাগুনের পূর্ণিমা এল কার লিপি হাতে (১৯২৩ )

আজ তারায় তারায় দীপ্ত শিখার (১৯২৩ )

তোর গোপন প্রাণে + (১৯২৩ )

গোপন প্রাণে একলা মানুষ + (১৯২৩ )

ও আমার চাঁদের আলো (১৯২৩ )

খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি (১৯২৩ )

নিশীথরাতের প্রাণ (১৯২৩ )

কে দেবে, চাঁদ, তোমায় দোলা + (১৯২৩ )

ও চাঁদ, তোমায় দোলা দেবে কে + (১৯২৩ )

ওই) ভাঙল হাসির বাঁধ + (১৯২৩ )

ভাঙল হাসির বাঁধ + (১৯২৩ )

ধীরে ধীরে ধীরে বও ওগো উতল হাওয়া (১৯২৩ )

বাকি আমি রাখব না (১৯২৩ )

ফল ফলাবার আশা আমি (১৯২৩ )

সে কি ভাবে গোপন রবে (১৯২৩ )

এ বেলা ডাক পড়েছে কোন্‌খানে (১৯২৩ )

আজ দখিনবাতাসে (১৯২৩ )

সব দিবি কে, সব দিবি পায় (১৯২৩ )

বিদায় যখন চাইবে তুমি (১৯২৩ )

শুক্‌নো পাতা কে-যে ছড়ায় (১৯২৩ )

সহসা ডালপালা তোর উতলা যে (১৯২৩ )

যদি তারে নাই চিনি গো (১৯২৩ )

আজ খেলা-ভাঙার খেলা (১৯২৩ )

এবার বিদায় বেলার সুর ধরো ধরো (১৯২৩ )

না রে, না রে, ভয় করব না + (১৯২৩ )

ভয় করব না রে + (১৯২৩ )

না, যেয়ো না যেয়ো নাকো (১৯২৩ )

তোমার বাস কোথা-যে পথিক ওগো (১৯২৩ )

এখন আমার সময় হল (১৯২৩ )

ওরে পথিক, ওরে প্রেমিক (১৯২৩ )

গানগুলি মোর শৈবালেরই দল (১৯২৩ )

বুঝি ওই সুদূরে ডাকিল মোরে (১৯২৩ )

দখিন-হাওয়া, জাগো জাগো (১৯২৩ )

যাওয়া-আসারই এই কি খেলা (১৯২৩ )

না না) নাই বা এলে যদি সময় নাই + (১৯২৩ )

নাই বা এলে যদি সময় নাই + (১৯২৩ )

নাই যদি বা এলে তুমি (১৯২৩ )

তোমার শেষের গানের রেশ নিয়ে কানে (১৯২৩ )

তোমায় গান শোনাব তাই তো আমায় (১৯২৩ )

যুগে যুগে বুঝি আমায় চেয়েছিল সে (১৯২৩ )

খেলার সাথি, বিদায়দ্বার খোলো (১৯২৩ )

দ্বারে কেন দিলে নাড়া ওগো মালিনী (১৯২৩ )

এসো শরতের অমল মহিমা (১৯২৩ )

হাটের ধুলা সয় না যে আর (১৯২৩ )

পাখি বলে, চাঁপা, আমারে কও (১৯২৩ )

ওরে বকুল, পারুল, ওরে (আখরসহ) (১৯২৩ )

ওরে বকুল পারুল, ওরে (১৯২৩ )

তোমার বীণায় গান ছিল আর (১৯২৩ )

কালের মন্দিরা যে + (১৯২৩ )

দুই হাতে কালের মন্দিরা যে + (১৯২৩ )

হে তাপস, তব শুষ্ক কঠোর (১৯২৩ )

ভরা থাক্‌ স্মৃতিসুধায় (১৯২৩ )

অগ্নিশিখা এসো এসো (১৯২৩ )

আজি মর্মরধ্বনি কেন জাগিল রে (১৯২৩ )

দূরদেশী সেই রাখাল ছেলে (১৯২৩ )

আকাশ-তলে দলে দলে (১৯২৩ )

পথিক মেঘের দল জোটে ওই (১৯২৩ )

ধরণী, দূরে চেয়ে কেন আজ আছিস জেগে (১৯২৩ )

আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া (১৯২৩ )

ছায়া ঘনাইছে বনে বনে (১৯২৩ )

কদম্বেরই কানন ঘেরি (১৯২৩ )

পুব-হাওয়াতে দেয় দোলা আজ (১৯২৩ )

এই শ্রাবণ-বেলা বাদল-ঝরা (১৯২৩ )

যে দিন সকল মুকুল গেল ঝরে (১৯২৩ )

ভেবেছিলেম আসবে ফিরে (১৯২৩ )

আমার আঁধার ভালো, আলোর কাছে (১৯২৩ )

জয় জয় পরমা নিষ্কৃতি হে (১৯২৩ )

আঁধার রাতে একলা পাগল (১৯২৩ )

আমার যাবার বেলায় + (১৯২৩ )

আমায় যাবার বেলায় + (১৯২৩ )

কোন্‌ ভীরুকে ভয় দেখাবি (১৯২৩ )

তোমার হাতের রাখীখানি (১৯২৩ )

আজি সাঁঝের যমুনায় গো (১৯২৩ )

আমার শেষ রাগিণীর প্রথম ধুয়ো (১৯২৩ )

ঘুম নেই কেন তোরই চোখে + (১৯২৪ )

ওরে কে রে এমন জাগায় তোকে + (১৯২৪ )

যখন এসেছিলে অন্ধকারে (১৯২৪ )

আমি সন্ধ্যাদীপের শিখা (১৯২৪ )

আমার মন চেয়ে রয় মনে মনে + (১৯২৪ )

মন চেয়ে রয় মনে মনে + (১৯২৪ )

পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে (১৯২৪ )

আয় রে মোরা ফসল কাটি (১৯২৪ )

আমার ভুবন তো আজ হল কাঙাল (১৯২৪ )

আমার শেষ পারানির কড়ি + (১৯২৪ )

কণ্ঠে নিলেম গান + (১৯২৪ )

ওগো বধূ সুন্দরী (১৯২৪ )

দিনশেষের রাঙা মুকুল (১৯২৪ )

এবার অবগুণ্ঠন খোলো (১৯২৪ )

যে কেবল পালিয়ে বেড়ায় (১৯২৪ )

যখন ভাঙল মিলন মেলা (১৯২৪ )

মধ্যদিনের বিজন বাতায়নে (১৯২৪ )

আজ কিছুতেই যায় না মনের ভার, (১৯২৪ )

হায় হায় হায় দিন চলি যায় (১৯২৪ )

শ্রাবণবরিষন পার হয়ে (১৯২৪ )

ধরণীর গগনের মিলনের ছন্দে (১৯২৪ )

মোর স্বপন-তরীর কে তুই নেয়ে (১৯২৪ )

তোর প্রাণের রস তো শুকিয়ে গেল ওরে (১৯২৪ )

ও চাঁদ, চোখের জলের লাগল জোয়ার (১৯২৪ )

ভালোবাসি, ভালোবাসি (১৯২৪ )

শেষ ফলনের ফসল এবার (১৯২৪ )

আমার মনের বাঁধন ঘুচে যাবে যদি (১৯২৪ )

এত দিন পরে মোরে (১৯২৪ )

নূতন পথের পথিক হয়ে আসে (১৯২৪ )

কাজ ভোলাবার কে গো তোরা (১৯২৪ )

যে পথ দিয়ে গেল রে তোর + (১৯২৪ )

পথিক পরান, চল্‌, চল্‌ সে পথে তুই + (১৯২৪ )

আকাশ-ভরা সূর্য-তারা (১৯২৪ )

মাটির বুকের মাঝে বন্দী যে জল (১৯২৪ )

আমার এ পথ তোমার পথের থেকে (১৯২৪ )

আন্‌মনা, আন্‌মনা (১৯২৪ )

যায় নিয়ে যায় আমায় আপন গানের টানে (১৯২৪ )

এ কী মায়া লুকাও কায়া (১৯২৪ )

গানের ঝরনাতলায় তুমি (১৯২৪ )

তার হাতে ছিল হাসির ফুলের হার (১৯২৫ )

লহো লহো তুলে লহো নীরব বীণাখানি (১৯২৫ )

ফিরে ফিরে ডাক্‌ দেখি রে (১৯২৫ )

তোমায় চেয়ে আছি বসে (১৯২৫ )

রুদ্রবেশে কেমন খেলা (১৯২৫ )

কুসুমে কুসুমে চরণচিহ্ন (১৯২৫ )

আজ কি তাহার বারতা পেল রে (১৯২৫ )

ও কি এল, ও কি এল না (১৯২৫ )

মোরা ভাঙব তাপস + (১৯২৫ )

মোরা ভাঙব, ভাঙব তাপস + (১৯২৫ )

ভাঙব তাপস ভাঙব + (১৯২৫ )

উজাড় করে লও হে আমার + (১৯২৫ )

এবার উজাড় ক’রে লও হে আমার + (১৯২৫ )

কী ফুল ঝরিল বিপুল অন্ধকারে (১৯২৫ )

আমায় থাকতে দে-না আপন-মনে (১৯২৫ )

মরুবিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে (১৯২৫ )

যাব, যাব, যাব তবে + (১৯২৫ )

যেতে যদি হয় হবে + (১৯২৫ )

জয়-যাত্রায় যাও গো (১৯২৫ )

না ব’লে যায় পাছে সে (১৯২৫ )

গানের ভেলায়-বেলা অবেলায় (১৯২৫ )

আমায় মুক্তি যদি দাও (১৯২৫ )

মরণের মুখে রেখে (১৯২৫ )

গান আমার যায় ভেসে যায় (১৯২৫ )

অবেলায় যদি এসেছ আমার বনে (১৯২৫ )

গহন রাতে শ্রাবণধারা পড়িছে ঝরে (১৯২৫ )

আজি ওই আকাশ-‘পরে সুধায় ভরে (১৯২৫ )

যেতে দাও যেতে দাও গেল যারা (১৯২৫ )

জানি জানি হল যাবার আয়োজন (১৯২৫ )

বজ্রমানিক দিয়ে গাঁথা (১৯২৫ )

এসো নীপবনে ছায়াবীথিতলে (১৯২৫ )

ঝরে ঝর ঝর ভাদর-বাদর (১৯২৫ )

কোথা যে উধাও হল (১৯২৫ )

আজ শ্রাবণের পূর্ণিমাতে (১৯২৫ )

অশ্রুভরা বেদনা দিকে দিকে জাগে (১৯২৫ )

বন্ধু, রহো রহো সাথে (১৯২৫ )

একলা ব’সে বাদল-শেষে শুনি কত কী (১৯২৫ )

শ্যামল শোভন শ্রাবণ, তুমি (১৯২৫ )

দেখো দেখো, দেখো, শুকতারা আঁখি মেলি চায় (১৯২৫ )

ওলো শেফালি, ওলো শেফালি (১৯২৫ )

যে ছায়ারে ধরব ব’লে (১৯২৫ )

তোমার নাম জানি নে, সুর জানি (১৯২৫ )

মরি লো) কার বাঁশি + (১৯২৫ )

কার বাঁশি নিশিভোরে + (১৯২৫ )

হে ক্ষণিকের অতিথি (১৯২৫ )

আমার রাত পোহালো শারদ প্রাতে (১৯২৫ )

ও আষাঢ়ের পূর্ণিমা আমার + (১৯২৫ )

ওগো আষাঢ়ের পূর্ণিমা আমার + (১৯২৫ )

বাজো রে বাঁশরি, বাজো (১৯২৫ )

ওই মরণের সাগরপারে (১৯২৫ )

যৌবনসরসীনীরে মিলনশতদল (১৯২৫ )

যদি হল যাবার ক্ষণ (১৯২৫ )

শ্যামল ছায়া, নাইবা গেলে (১৯২৫ )

ওগো জলের রানী (১৯২৫ )

তুমি খুশি থাক (১৯২৫ )

আমার যে গান তোমার পরশ পাবে (১৯২৫ )

আমার ঢালা গানের ধারা (১৯২৫ )

জ্বলে নি আলো অন্ধকারে (১৯২৫ )

ও আমার ধ্যানেরই ধন (১৯২৫ )

এবার দুঃখ আমার অসীম পাথার (১৯২৫ )

তুমি তো সেই যাবেই চ’লে (১৯২৫ )

কেন আমায় পাগল করে যাস (১৯২৫ )

কে বলে ‘যাও যাও’ (১৯২৫ )

সে আমার গোপন কথা (১৯২৫ )

যেন কোন্‌ ভুলের ঘোরে (১৯২৫ )

তুমি মোর পাও নাই পরিচয় (১৯২৫ )

আছ আকাশ-পানে তুলে মাথা (১৯২৫ )

না, না গো না, কোরো না (১৯২৫ )

পাগল যে তুই, কণ্ঠ ভ’রে (১৯২৫ )

নাই রস নাই, দারুণ দাহনবেলা (১৯২৫ )

সখী, আঁধারে একেলা ঘরে (১৯২৫ )

চৈত্রপবনে মম চিত্তবনে (১৯২৫ )

ধ্বনিল আহ্বান মধুর গম্ভীর (১৯২৫ )

সে যে মনের মানুষ, কেন তারে (১৯২৫ )

পরবাসী, চলে এসো ঘরে (১৯২৬ )

এসো এসো প্রাণের উৎসবে (১৯২৬ )

অনন্তের বাণী তুমি (১৯২৬ )

বনে যদি ফুটল কুসুম (১৯২৬ )

আপনহারা মাতোয়ারা (১৯২৬ )

দোলে দোলে দোলে প্রেমের দোলন-চাঁপা (১৯২৬ )

ফাগুনের নবীন আনন্দে (১৯২৬ )

জানি তোমার অজানা নাহি গো (১৯২৬ )

এসো আমার ঘরে (১৯২৬ )

কালো মেঘের ঘটা ঘনায় রে (১৯২৬ )

তোমার বীণা আমার মনোমাঝে (১৯২৬ )

আঁধারের লীলা আকাশে আলোকলেখায়-লেখায় (১৯২৬ )

চপল তব নবীন আঁখি দুটি (১৯২৬ )

নূপুর বেজে যায় রিনিরিনি (১৯২৬ )

লিখন তোমার ধূলায় হয়েছে ধূলি (১৯২৬ )

আমার লতার প্রথম মুকুল (১৯২৬ )

কেন রে এই দুয়ারটুকু পার হতে সংশয় (১৯২৬ )

কেন রে এতই যাবার ত্বরা (১৯২৬ )

কাঁদার সময় অল্প ওরে (১৯২৬ )

বিনা সাজে সাজি + (১৯২৬ )

বিনা সাজে তুমি + (১৯২৬ )

কী পাই নি তারি হিসাব মিলাতে (১৯২৬ )

সেই ভালো সেই ভালো (১৯২৬ )

অনেক কথা যাও যে ব’লে (১৯২৬ )

দে পড়ে দে আমায় তোরা (১৯২৬ )

পাতার ভেলা ভাসাই নীরে (১৯২৬ )

এবার এল সময় রে তোর (১৯২৬ )

শেষ বেলাকার শেষের গানে (১৯২৬ )

আধেক ঘুমে নয়ন চুমে (১৯২৬ )

আমার প্রাণে গভীর গোপন (১৯২৬ )

এ পথে আমি যে গেছি বার বার (১৯২৬ )

হার মানালে গো, ভাঙিলে অভিমান (১৯২৬ )

দিন পরে যায় দিন (১৯২৬ )

তুমি কি এসেছ মোর দ্বারে (১৯২৬ )

আপনারে দিয়ে রচিলি রে কি এ (১৯২৬ )

কাহার গলায় পরাবি গানের (১৯২৬ )

বাঁধন ছেঁড়ার সাধন হবে (১৯২৬ )

হে চিরনূতন, আজি এ দিনের প্রথম গানে (১৯২৬ )

তপস্বিনী হে ধরণী (১৯২৬ )

আর রেখো না আঁধারে, আমায় (১৯২৬ )

নিশীথে কী কয়ে গেল মনে (১৯২৬ )

পথে যেতে ডেকেছিলে মোরে (১৯২৬ )

এ পারে মুখর হল কেকা ওই (১৯২৬ )

হে মহাজীবন, হে মহামরণ (১৯২৬ )

বিরস দিন বিরল কাজ (১৯২৬ )

আমায় ক্ষমো হে ক্ষমো, নমো হে নমো (১৯২৬ )

বাঁধন কেন ভূষণ-বেশে (১৯২৬ )

মরণসাগরপারে তোমরা অমর (১৯২৬ )

সে কোন্‌ পাগল যায় পথে তোর (১৯২৬ )

কার চোখের চাওয়ার হাওয়ায় দোলায় (১৯২৬ )

রয় যে কাঙাল শূন্য হাতে (১৯২৬ )

ছুটির বাঁশি বাজল যে ওই (১৯২৬ )

আকাশ, তোমায় কোন্‌ রূপে মন চিনতে পারে (১৯২৬ )

তোর ভিতরে জাগিয়া কে যে (১৯২৬ )

নাই নাই ভয়, হবে হবে জয় (১৯২৬ )

আমার মুক্তি আলোয় আলোয় (১৯২৬ )

সকাল বেলার আলোয় বাজে (১৯২৬ )

মধুর, তোমার শেষ যে না পাই (১৯২৬ )

চাহিয়া দেখো রসের স্রোতে (১৯২৬ )

তুমি উষার সোনার বিন্দু (১৯২৬ )

গানে গানে তব বন্ধন যাক টুটে + (১৯২৬ )

আপন গানের টানে তোমার + (১৯২৬ )

আপনি আমার কোন্‌খানে (১৯২৬ )

ওগো সুন্দর, একদা কী জানি + (১৯২৬ )

একদা কী জানি + (১৯২৬ )

কোথায় ফিরিস পরম শেষের অন্বেষণে (১৯২৬ )

পথ এখনো শেষ হল না (১৯২৬ )

আকাশে তোর তেমনি আছে ছুটি (১৯২৬ )

দিনের বেলায় বাঁশি তোমার (১৯২৬ )

পান্থপাখির রিক্ত কুলায় (১৯২৬ )

অরূপ, তোমার বাণী (১৯২৬ )

বাঁশি আমি বাজাই নি কি (১৯২৬ )

ক্ষত যত ক্ষতি যত মিছে হতে মিছে (১৯২৬ )

যা পেয়েছি প্রথম দিনে (১৯২৬ )

মোর পথিকেরে বুঝি এনেছ এবার (১৯২৬ )

যে ধ্রুবপদ দিয়েছ বাঁধি (১৯২৭ )

তোমার হাতের অরুণলেখা (১৯২৭ )

ওরে, কী শুনেছিস ঘুমের ঘোরে (১৯২৭ )

পূর্বগগনভাগে দীপ্ত হইল সুপ্রভাত (১৯২৭ )

ওরে, তোরা যারা শুনবি না (১৯২৭ )

পাগল আজি আগল খোলে + (১৯২৭ )

ওকে বাঁধিবি কে রে + (১৯২৭ )

পুরানো জানিয়া চেয়ো না আমারে (১৯২৭ )

কেন পান্থ, এ চঞ্চলতা (১৯২৭ )

গগনে গগনে আপনার মনে (১৯২৭ )

নির্মল কান্ত, নমো হে নমো (১৯২৭ )

হায় হেমন্তলক্ষ্মী, তোমার (১৯২৭ )

তোমার আসন পাতব কোথায় (১৯২৭ )

মনে রবে কি না রবে আমারে (১৯২৭ )

চরণরেখা তব যে পথে দিলে লেখি (১৯২৭ )

চরণরেখা তব যে পথে দিলে লেখি (১৯২৭ )

জানি তুমি ফিরে আসিবে আবার, জানি (১৯২৭ )

এসো হে বৈশাখ + (১৯২৭ )

এসো, এসো, এসো, হে বৈশাখ + (১৯২৭ )

মধ্যদিনে যবে গান বন্ধ করে পাখি (১৯২৭ )

হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী (১৯২৭ )

ছিন্ন পাতার সাজাই তরণী (১৯২৭ )

হে সন্ন্যাসী) হিমগিরি ফেলে + (১৯২৭ )

হিমগিরি ফেলে + (১৯২৭ )

নৃত্যের তালে তালে নটরাজ (১৯২৭ )

হিমের রাতে ঐ গগনের দীপগুলিরে (১৯২৭ )

ওরে প্রজাপতি, মায়া দিয়ে কে যে (১৯২৭ )

ওগো কিশোর, আজি তোমার (১৯২৭ )

রাঙিয়ে দিয়ে যাও (১৯২৭ )

সন্ন্যাসী, ধ্যানে নিমগ্ন (১৯২৭ )

আলোর অমল কমলখানি (১৯২৭ )

শীতের বনে কোন্‌ সে কঠিন আসবে ব’লে (১৯২৭ )

তপের তাপের বাঁধন কাটুক (১৯২৭ )

মুখখানি কর মলিন বিধুর (১৯২৭ )

যাত্রাবেলায় রুদ্র রবে (১৯২৭ )

আরাম-ভাঙা উদাস সুরে (১৯২৭ )

দূর রজনীর স্বপন লাগে (১৯২৭ )

যাবার বেলা শেষ কথাটি যাও বলে (১৯২৭ )

ডাকিল মোরে জাগার সাথি (১৯২৭ )

তোমার গীতি জাগালো স্মৃতি (১৯২৭ )

ওরে যায় না কি জানা + (১৯২৭ )

হায় রে, ওরে যায় না কি জানা + (১৯২৭ )

কাছে যবে ছিল পাশে হল না যাওয়া (১৯২৭ )

এবার মিলন-হাওয়ায়-হাওয়ায় (১৯২৭ )

লুকালে ব’লেই খুঁজে বাহির করা (১৯২৭ )

মুখ-পানে চেয়ে দেখি, ভয় হয় মনে (১৯২৭ )

জয় ক’রে তবু ভয় কেন তোর যায় না (১৯২৭ )

শিউলি ফুল, শিউলি ফুল (১৯২৭ )

আরো একটু বসো তুমি (১৯২৭ )

সকরুণ বেণু বাজায়ে কে যায় (১৯২৭ )

সে দিন দুজনে দুলেছিনু বনে (১৯২৭ )

খরবায়ু বয় বেগে (১৯২৭ )

নয়ন ছেড়ে গেলে চলে (১৯২৭ )

তুমি আমায় ডেকেছিলে (১৯২৭ )

এসেছে হাওয়া বাণীতে দোল-দোলানো (১৯২৭ )

সন্ন্যাসী যে জাগিল ওই, জাগিল (১৯২৭ )

নমো নমো হে বৈরাগী (১৯২৭ )

নমো, নমো, নমো করুণাঘন, নমো হে (১৯২৭ )

ওই কি এলে আকাশ্পারে (১৯২৭ )

শ্রাবণ, তুমি বাতাসে কার আভাস পেলে (১৯২৭ )

সেই তো তোমার পথের বঁধু (১৯২৭ )

নমো, নমো, নমো। নমো, নমো, নমো। তুমি ক্ষুধার্তজন-শরণ্য (১৯২৭ )

নমো, নমো। নমো, নমো। নমো, নমো। নির্দয় অতি (১৯২৭ )

নমো নমো, নমো নমো, নমো নমো, তুমি সুন্দরতম (১৯২৭ )

রঙ লাগালে বনে বনে + (১৯২৭ )

কে) রঙ লাগালে বনে বনে + (১৯২৭ )

তোমার সুর শুনায়ে যে ঘুম ভাঙাও (১৯২৭ )

নিশা-অবসানে কে দিল গোপনে আনি (১৯২৭ )

ওরে চিত্ররেখাডোরে বাঁধিল কে (১৯২৭ )

গন্ধরেখার পন্থে তোমার শূন্যে গতি (১৯২৮ )

তোমার প্রেমে ধন্য কর যারে (১৯২৮ )

তোমার আমার এই বিরহের অন্তরালে (১৯২৮ )

অনেক দিনের শূন্যতা মোর (১৯২৮ )

জানি জানি তোমার প্রেমে সকল প্রেমের (১৯২৮ )

পথে চলে যেতে যেতে (১৯২৮ )

আমার না-বলা বাণীর ঘন যামিনীর মাঝে (১৯২৮ )

নীরবে আছ কেন বাহিরদুয়ারে (১৯২৮ )

দিন যদি হল অবসান (১৯২৮ )

আঁধার এল ব’লে (১৯২৮ )

দিনশেষে বসন্ত যা প্রাণে গেল ব’লে (১৯২৮ )

দিয়ে গেনু বসন্তের এই গান্খানি (১৯২৮ )

হে মাধবী, দ্বিধা কেন (১৯২৮ )

একটুকু ছোঁওয়া লাগে (১৯২৮ )

আপন মনে গোপন কোণে (১৯২৮ )

বাহির পথে বিবাগি হিয়া (১৯২৮ )

স্বপন-পারের ডাক শুনেছি (১৯২৮ )

পূর্ণ প্রাণে চাবার যাহা (১৯২৮ )

প্রাঙ্গণে মোর শিরীষশাখায় ফাগুন মাসে (১৯২৮ )

আজি এ নিরালা কুঞ্জে আমার (১৯২৮ )

অজানা খনির নূতন মণির (১৯২৮ )

আমরা দুজনা স্বর্গ-খেলনা (১৯২৮ )

আমার নয়ন তব নয়নের (১৯২৮ )

আরো কিছুখন নাহয় বসিয়ো পাশে (১৯২৮ )

হায় অতিথি, এখনি কি (১৯২৮ )

তুমি বাহির থেকে দিলে বিষম তাড়া (১৯২৯ )

নাই ভয়, নাই ভয়, নাই রে (১৯২৯ )

আমার পথে পথে পাথর ছড়ানো (১৯২৯ )

তুমি হঠাৎ-হাওয়ায় ভেসে-আসা ধন (১৯২৯ )

কাঁদালে তুমি মোরে ভালোবাসারই ঘায়ে (১৯২৯ )

আমার নয়ন তোমার নয়নতলে (১৯২৯ )

ফুল তুলিতে ভুল করেছি (১৯২৯ )

চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে (১৯২৯ )

আয় আয় আয় আমাদের অঙ্গনে (১৯২৯ )

ওরে ঝড় নেবে আয়+ (১৯২৯ )

ওরে ঝড় নেমে আয় + (১৯২৯ )

আহ্বান আসিল মহোৎসবে (১৯২৯ )

কোন্‌ পুরাতন প্রাণের টানে (১৯২৯ )

নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় (১৯২৯ )

চলে যায় মরি হায় বসন্তের দিন (১৯২৯ )

আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে (১৯২৯ )

দিনের পরে দিন যে গেল (১৯২৯ )

সর্ব খর্বতারে দহে তবে ক্রোধদাহ (১৯২৯ )

প্রলয়নাচন নাচলে যখন (১৯২৯ )

তোমার আসন শূন্য আজি (১৯২৯ )

ফুরালো পরীক্ষার এই পালা + (১৯২৯ )

ফুরালো ফুরালো এবার + (১৯২৯ )

ফিরে আমায় মিছে ডাক’ স্বামী + (১৯২৯ )

ফিরে ফিরে আমায় + (১৯২৯ )

জয় জয় জয় হে জয় জ্যোতির্ময় (১৯২৯ )

মন যে বলে চিনি চিনি (১৯২৯ )

আলোক-চোরা লুকিয়ে এল ঐ (১৯২৯ )

জাগো হে রুদ্র, জাগো (১৯২৯ )

জাগ’ জাগ’ আলসশয়নবিলগ্ন। + (১৯২৯ )

জাগ’ আলসশয়নবিলগ্ন + (১৯২৯ )

শুভ্র নব শঙ্খ তব গগন ভরি বাজে (১৯২৯ )

বকুলগন্ধে বন্যা এল (১৯২৯ )

চেনা ফুলের গন্ধস্রোতে (১৯২৯ )

নীলাঞ্জনছায়া, প্রফুল্ল কদম্ববন (১৯২৯ )

আমার মাঝে তোমারি মায়া (১৯৩০ )

প্রভাত-আলোরে মোর কাঁদায়ে গেলে (১৯৩০ )

ওই শুনি যেন চরণধ্বনি রে (১৯৩০ )

নীল আকাশের কোণে কোণে (১৯৩০ )

অনেক দিনের আমার যে গান (১৯৩০ )

সংকোচের বিহ্বলতা (১৯৩০ )

এবার বুঝি ভোলার বেলা হল (১৯৩০ )

সুনীল সাগরের শ্যামল কিনারে (১৯৩০ )

স্বপনে দোঁহে ছিনু কী মোহে (১৯৩০ )